Page

11.22.2015

আইফোন ৬ এস পানিরোধী নয়

আইফোনের নতুন সংস্করণ ৬ এস পানিরোধী বলে প্রচার চালানো হলেও আসলে কিন্তু ফোনে পানি ঢুকলে ফোনটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই নতুন আইফোন পানিতে ভেজানো থেকে সাবধান থাকা উচিত। সম্প্রতি আইফোন ৬ এস পানিরোধী কি না তা নিয়ে পরীক্ষা চালায় সিএনএনমানি নামের ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ। সিএনএনের বিশেষজ্ঞদের দাবি, পাঁচ মিনিট পানির পাত্রে আইফোন ৬ এস ডুবিয়ে রেখে দেখা গেছে ফোনটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে।
সিএনএনমানির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পানিতে ডুবানোর পর কিছুক্ষণ সেটি ঠিকঠাক থাকে। কয়েক সেকেন্ড পানিতে ডুবিয়ে রাখার পর ফোন থেকে বাতাস বের হয়ে বুদবুদ তৈরি হয়। পানি থেকে তোলার পর ১০ মিনিট পর্যন্ত ফোনটি চালু থাকলেও অনেকগুলো ফাংশন অকেজো হতে শুরু করে। এরপর একসময় পুরো ডিসপ্লে সাদা হয়ে ফোনটি বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে আইফোন ৫ নিয়েও এ ধরনের একটি পরীক্ষা চালিয়েছিল প্রটেক্ট ইয়োর বাবল নামের প্রযুক্তিপণ্য ইনস্যুরেন্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। সে পরীক্ষাতেও দেখা গেছে আইফোন ৫ পানিরোধী নয়।
অবশ্য, আইফোন ৬ এস পানিরোধী, এ কথা কখনো দাবি করেনি অ্যাপল। তবে এ বছরের সেপ্টেম্বরে নতুন আইফোন বাজারে আসার আগে প্রযুক্তিবিষয়ক অনেক ব্লগ ও ওয়েবসাইটে নতুন আইফোন পানিরোধী হবে এ দাবি করা হয়েছিল।

গোলাপ গাছে বিদ্যুৎ!

গোলাপ গাছ থেকে যেভাবে শক্তি আহরণ করা যায় তা গ্রাফিকসের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে। ছবি: লিংকপিং বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌজন্যে।জীবন্ত উদ্ভিদের মধ্যেই বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব। তা করে দেখালেন সুইডেনের লিংকপিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। তাঁরা বলছেন, আলোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি আহরণের একটি পথ খুলে দেবে তাঁদের যুগান্তকারী এই উদ্ভাবন।

টেলিগ্রাফ অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, গবেষকেরা বাগানের একটি গোলাপ গাছের মধ্যে বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করেন। বিদ্যুৎ পরিবাহী দ্রবণীয় পলিমারযুক্ত পানির একটি পাত্রে গোলাপ গাছটিকে বসান তাঁরা। গাছটি যখন পানি শোষণ করে তখন বিদ্যুৎ পরিবাহী ও উপাদানগুলোও গাছ শোষণ করে নিজের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে নেয়। ফুলের রং যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে এটি সেই একই রকম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্স অ্যাডভান্সেস সাময়িকীতে।

গবেষণা নিবন্ধের প্রধান লেখক ম্যাগনাস বারগ্রেন বলেন, গোলাপ গাছটির ভেতর পলিমারের দ্রবণগুলো গাছের আয়নের সঙ্গে মিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি তার তৈরি করে ফেলে যা দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করে ফেলা যায়।

গবেষক বারগ্রেন বলেন, ‘যত দূর পর্যন্ত জানি, এখনো গাছের মাধ্যমে তৈরি ইলেকট্রনিকস নিয়ে কোনো গবেষণাপত্র প্রকাশ হয়েছে। আমরা এখন তাই ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট’ বিষয়ে কথা বলতে পারি। আমরা গাছে সেনসর বসিয়ে তা থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে পারি অথবা নতুন উপাদান তৈরি করতে পারি।’ 
গবেষক বারগ্রেন দাবি করেন, এ প্রক্রিয়ার উৎপাদিত সবকিছুই প্রাকৃতিক এবং এ ক্ষেত্রে গাছের নিজস্ব অনন্য পদ্ধতিটিই ব্যবহার করা হয়।

ভাইরাস: আপনার শত্রু, হ্যাকারের বন্ধু...

maxresdefaultবাসা কিংবা কাজের ক্ষেত্র – যেখানেই থাকুন না কেন এই যুগে একটি কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ছাড়া আপনি একপ্রকার অচলই বলা চলে। কিন্তু, জানালা খোলা থাকলে যেমন আলো-বাতাসের পাশাপাশি মশা-মাছি বা অন্যান্য কীট-পতঙ্গ আসে – তেমনি কম্পিউটার বা স্মার্টফোনও কিন্তু আপনার জীবনযাত্রা সহজ করার পাশাপাশি নীরবে খুঁড়ে চলে বিশাল এক গর্ত! একটু অসচেতন হলেই তাতে খোয়া যেতে পারে মান-সম্মান, অর্থ-সম্পদ এমনকি হুমকির মুখে পড়তে পারে আপনার বা আপনার কাছের মানুষদের জীবন।
এই গর্তের নাম ভাইরাস, যা দিনের পর দিন নষ্ট করতে থাকে আপনার মূল্যবান কম্পিউটার ও শখের মোবাইলফোন তথা এসবের প্রোগ্রাম।
শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে হ্যাকার (সাইবার ক্রিমিনাল – যারা সবসময় ওত পেতে থাকে অন্যের ডিভাইস বা একাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে) সংগ্রহ করতে পারে আপনার ব্যাংক একাউন্টের তথ্য-পাসওয়ার্ডসহ আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল থেকে যে কোনো ছবি বা ফাইল। চাইলে কেউ দুর থেকেও আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলের ক্যামেরা বা মাইক্রোফোন চালু করে শুনে নিতে পারে আপনার কথাবার্তা, দেখতে পারে আপনার কার্যকলাপ!
ভাইরাস পুষবেন, না তাড়াবেন – সে সিদ্ধান্ত আপনার; তবে সে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে চাইলে এই পোস্ট থেকে দেখে নিতে পারেন ভাইরাসের ব্যাবচ্ছেদ।
সাধারণত এক ধরণের অণুজীব যারা মানুষসহ অন্যান্য পশু-পাখি ও উদ্ভিদের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী তাদের ভাইরাস বলা হলেও এরা কিন্তু আমাদের আজকের টপিক নয়! এখানে আমরা যে ভাইরাসের কথা বলছি তা সমস্যা তৈরি করে কম্পিউটার, মোবাইলফোনসহ এধরণের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির। এদের আরেক নাম কম্পিউটার ভাইরাস।
105766825ভাইরাস (VIRUS – Vital Information Resources Under Siege) হচ্ছে কম্পিউটার বা এ ধরণের ডিভাইসের জন্য ক্ষতিকর একধরণের প্রোগ্রাম যা অন্যান্য প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে পরিবর্তিত বা ধ্বংসাত্মক করে তুলতে পারে।
সহজ কথায় আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোনটিতে বিভিন্ন কাজ করতে ও বিনোদন পেতে আপনি যেসব প্রোগ্রাম ব্যবহার করেন, ভাইরাসও তেমনি একটি প্রোগ্রাম। পার্থক্য এই যে ওই প্রোগ্রামগুলো বানানো হয়েছে আপনার জীবনযাত্রা সহজ করতে আর সেগুলো চলে আপনারই কমান্ডে। কিন্তু, ভাইরাস আপনার কম্পিউটারের সংস্পর্শে আসে গোপনে আর এসে কাজ শুরু করার জন্যও কারো অনুমতি বা নির্দেশের তোয়াক্কা করে না। এরা চান্স পাওয়ামাত্র নিজে নিজেই কাজ শুরু করে দেয়। অবশ্য, এটাকে কাজ না বলে ‘ধ্বংসলীলা’ বলাই ভালো।
ইন্টারনেটে সংযুক্ত হলে কিংবা অন্য কোনোভাবে ভাইরাস একবার আপনার ডিভাইসের সংস্পর্শে এলে তা শুধু অনুপ্রবেশ করেই ক্ষান্ত হয় না, বরং নিজ থেকে কপি হতে হতে এর হাজারো কপি ছড়িয়ে দেয় আপনার প্রতিটি ফাইলে, ফোল্ডারে ও ড্রাইভে।
এসময় আপনি যদি কোনো নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকেন অথবা আপনার কম্পিউটার বা স্মার্টফোন থেকে কোনো ফাইল সিডি, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ডসহ ব্লুটুথ, ওয়াইফাই, ইমেইল বা ইন্টারনেটের অন্য কোনো মাধ্যমে আরেকটি ডিভাইসে পাঠান তাহলে সেটিও ভাইরাস সংক্রমিত হবে।
ভাইরাসের দ্বারা সংঘটিত বড় ক্ষতির ক্ষেত্রে যে কোনো ফাইল নিজের মতো করে এডিট করা, মুছে ফেলা থেকে শুরু করে হার্ড ডিস্ক রি-রাইট পর্যন্ত হতে পারে।
এছাড়াও কিছু ভাইরাস আছে যারা ফাইল পরিবর্তন না করলেও উদ্ভট তথ্য, অডিও বা ভিডিও বার্তা দেখায়। এদের আপাতদৃষ্টিতে ক্ষতিকর মনে হয় না, কিন্তু এরাও প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ফাইলের জায়গা দখল করে যা পরবর্তীতে ঘটায় সিস্টেম ক্র্যাশ বা মেমোরি লস্টের মতো বড় সমস্যা।
টুকিটাকি
  • কম্পিউটার ভাইরাসের তাত্ত্বিক ধারণা প্রথম দেন আমেরিকান গণিতবিদ জন নিউম্যান।
  • প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের নাম ছিল এল্ক কনার। ১৯৮২ সালে রিচার্ড স্কেন্টা নামে ১৫-বছরের এক আমেরিকান কিশোর এটি একটি অ্যাপল-২ কম্পিউটার থেকে তৈরি করে ছড়িয়ে দিয়ে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল।
urlws ভাইরাস কী – তা তো জানা হলো, এবার আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না… তা জানার পালা।
আর ১০টা দরকারি সফটওয়্যারের মতো যেহেতু ভাইরাসও এক ধরণের কম্পিউটার প্রোগ্রাম, তাই স্বাভাবিকভাবেই এসবের হোতারাও কিন্তু ‘কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ’ তথা প্রোগ্রামার। শুধু তাই নয়, অন্যদের মতো এরাও নিয়মিত রিলিজ করেন তাদের প্রোগ্রামের (!) আপডেট ভার্সন – যার ফলে নিত্য পরিবর্তন ঘটছে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে তার লক্ষণসমূহের।
যাই হোক, হররোজ লক্ষণ পরিবর্তিত হলেও এবং দিন-দিন তার তালিকা বড় হলেও মাইক্রোসফট সিকিউরিটি টিমের মতে কিন্তু যে কোনো একটি ডিভাইস ভাইরাসাক্রান্ত কি না স্রেফ তিনটি বিষয় থেকেই তা বোঝা যায়।
দেখুন তো– নিচের তিনটি কথার কোনোটা আপনার সাথে মিলে কি না?
  • কম্পিউটার কেমন যেন স্লো
  • হুটহাট এটা-সেটা চালু/বন্ধ হয় আর বিভিন্ন ম্যাসেজ দেখায়
  • মডেম বা ব্রডব্যান্ড ইন্ডিকেটর বাতি মাঝে মাঝে নিজে নিজে জ্বলে উঠে বা শব্দ হয়
এ তো গেল টুকিটাকি, এবার চলুন দেখে নেই বিস্তারিত লিস্টটিঃ
  • ডিভাইস চালু (অন) হতে যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয়
  • কোনো ড্রাইভ শো না করলে বা নাম পরিবর্তিত হয়ে গেছে দেখলে
  • হুটহাট ফাইল ‘নাই’ হয়ে গেলে
  • ফাইলের আকার কম বা বেশি দেখালে
  • অস্বাভাবিক এরর দেখালে
  • সময়-তারিখ নিজে নিজে পরিবর্তিত হলে
  • ডিস্কে ব্যাড সেক্টরের সংখ্যা বাড়া
  • কিছু কপি-পেস্ট হতে বেশি সময় নেয়া
  • ফাইল সেইভ বা প্রিন্ট হতে সময় বেশি নিলে
  • স্ক্রিনে অটোম্যাটিক টেক্সট, ছবি বা এনিমেশন আসা-যাওয়া করলে
  • কম্পিউটার/স্মার্টফোন ক্রমাগত স্লো হতে থাকলে
  • বিভিন্ন মেন্যু, অপশন, লিস্ট ইত্যাদি পরিবর্তিত হতে থাকলে
  • ডিভাইসটি ঘন ঘন হ্যাং করলে
  • বার বার রিস্টার্ট নিলে
  • বিভিন্ন ফাইলের নামের শেষে .exe যোগ হলে
  • ইমেজ ফাইলগুলোর আকার কমে কয়েক কিলোবাইটে চলে আসা এবং না খোলা
  • ‘Out of Memory’ বা ‘Insufficient Memory’ বার্তা বারবার দেখালে
  • কম্পিউটারে টাস্ক ম্যানেজার (Ctrl+Alt+Del) কাজ না করলে
  • রেজিস্ট্রি এডিটর (Start>Run>regedit) কাজ না করলে
  • স্টার্ট মেন্যুতে সার্চ অপশন না পাওয়া গেলে
  • কোনো প্রোগ্রাম রান না করলেও ৫% এর বেশি সিপিইউ’র ব্যবহার দেখানো
  • ফোল্ডার অপশন (My Computer>Organize) না দেখালে
  • নিজ থেকেই হিডেন ফাইল শো করলে
  • উইন্ডোজ ট্রে নোটিফিকেশন এরিয়ায় একই এরর ম্যাসেজ টানা দেখালে
  • কোনো এরর ম্যাসেজ নির্দিষ্ট কোনো এন্টিভাইরাস ইন্সটল করতে বারবার সতর্ক করলে
  • হুট করেই মাউস বা কীবোর্ড কাজ না করলে
  • উইন্ডোজ অস্বাভাবিক আচরণ করলে
মোটামুটি তো জানা হলো যে কীভাবে বুঝবেন আপনার কম্পিউটার বা মোবাইলে ভাইরাস আছে কি না, এবার চলুন জানি ভাইরাসের প্রকারভেদ ও ক্ষতি করার প্রক্রিয়া।
url-3 ভাইরাস কি, সামান্য অসচেতনতায় তা কিভাবে আপনাকে ফেলে দিতে পারে ভয়াবহ বিপদের মুখে এবং কিভাবে বুঝবেন যে আপনার ডিভাইসটি ভাইরাসাক্রান্ত – এসব তো জানলেনই, এবার চলুন দেখি ভাইরাসের রকমফের।
ভাইরাস তো ভাইরাস-ই, তার আবার রকমফের কিসের – আপনি, আমি এমনটা ভাবলেও প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞরা কিন্তু বলেন আলবৎ আছে! তাদের মতে এখন পর্যন্ত ১১ ধরণের কম্পিউটার ভাইরাস পাওয়া গেছে।
এখানে সেসব ক্যাটাগরি ও প্রত্যেকের অন্তর্ভুক্ত কিছু ভাইরাসের নাম উল্লেখ করা হলো:
বুট সেক্টর ভাইরাস
বুট সেক্টর নামটি এসেছে এমএস-ডস থেকে যা আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলিতে মাস্টার বুট রেকর্ড নামে পরিচিত (পার্টিশন করা ডিভাইসের প্রথম ভাগ)।
বুট সেক্টর ভাইরাস এসেছিল সেই ফ্লপি’র জামানায়, যখন এই চারকোণা ডিস্ক ব্যবহার করা হতো কম্পিউটার বুট করতে। পরে অবশ্য কম্পিউটারের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাস ছড়ানোর পদ্ধতিতেও আমূল পরিবর্তন এলেও এখনো হঠাৎ হঠাৎ শোনা যায় ফ্লপি ডিস্কের ভাইরাসের কথা।
ব্রাউজার হাইজ্যাকার
চলে আসি এই প্রজন্মের ভাইরাসের কথায়। আপনি হয়তো কম্পিউটারে বা স্মার্টফোনে কোনো একটি গান, ছবি কিংবা ভিডিও খুঁজতে ইন্টারনেটে ঢুকলেন। গুগল করে খুঁজেও পেলেন সেই কাঙ্ক্ষিত জিনিসটি। কিন্তু ক্লিক করা মাত্র আপনার ব্রাউজার সেখানে না গিয়ে আপনাকে নিয়ে গেল অন্য আরেকটি সাইটে যেখানে দেখলেন কোনো একটি বিশেষ পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন।
এই ধরণের ভাইরাসগুলোকেই বলা হয় ব্রাউজার হাইজ্যাকার।
আপাতদৃষ্টিতে খুব নিরীহ আর ভদ্রগোছের বলে মনে হলেও শুধু ওই বিশেষ বিজ্ঞাপনটি আপনাকে দেখানোই কিন্তু এই ভাইরাসের মূল উদ্দেশ্য নয়। এরপরই মূলত শুরু হয় এদের মিশন! আপনি চান বা না চান, মোবাইলে এমবি থাকুক বা না থাকুক (প্রয়োজনে মূল একাউন্ট থেকে টাকা কেটে হলেও), ভাইরাস এবার আপনার ডিভাইসে নামাবে বেনামী সব প্রোগ্রাম যেগুলো বয়ে আনে সত্যিকার সব রিস্ক ফ্যাক্টর।
এছাড়াও, ব্রাউজার হাইজ্যাকার ভাইরাস নিজ থেকে আপনার ব্রাউজারে জুড়ে দেয় অখ্যাত সার্চ ইঞ্জিনের টুলবার – আর, এসব স্লো করে দেয় আপনার ইন্টারনেট সার্ফিং।
ওয়ার্ম
বড় বড় কর্পোরেট নেটওয়ার্ক টার্গেট করে বানানো হয় এই ধরণের ভাইরাস। স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজে তালগোল লাগানোই এদের কাজ। হালের লাভগেট, এফ, আই লাভ ইউ ইত্যাদি ওয়ার্মের উদাহরণ।
ডিরেক্ট একশন ভাইরাস
এ ধরণের ভাইরাস নিজ থেকে কাজ শুরু না করলেও দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে থাকতে পারে আপনার ডিভাইসে। অতঃপর কোনো একদিন সংক্রমিত ফাইলটি এক্সিকিউট করামাত্রই শুরু হয় এর ধ্বংসলীলা।
১৯৮৮ সালে ব্রাজিলের প্রতিটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়া ভিয়েনা ভাইরাস ছিল এই গোত্রের ভাইরাস।
ফাইল ইনফ্যাক্টর
ভাইরাসের এই ক্যাটাগরিরই সদস্য সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ ধরণের ভাইরাসগুলো সংক্রমিত পিসির যে কোনো একটি ফাইলে আশ্রয় নিয়ে এক্সিকিউট হওয়ামাত্র ফাইলটিকে ওভাররাইট করে ফেলে ও তারপর নিজেকে ছড়িয়ে দেয় ফোল্ডার থেকে ফোল্ডারে।
ফাইল ইনফ্যাক্টর ভাইরাস সাধারণত আক্রমণ করে .exe টাইপ ফাইলকে।
ম্যাক্রো ভাইরাস
ম্যাক্রো ভাইরাসের তল্লাট মাইক্রোসফট অফিস তথা ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি। ডিভাইস আক্রান্ত হলে অফিস ফাইল খুললে মূল লেখার বদলে আজেবাজে কিছু লেখাজোখা দেখা যায়।
তবে, এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়াবহ দিকটি এই যে যারা আউটলুকের মাধ্যমে ইমেইল যোগাযোগ চালান তাদের ক্ষেত্রে আউটলুক থেকে পর্ণোগ্রাফিক ওয়েবসাইটের নাম-ঠিকানাসহ মেইল চলে যায় সংরক্ষিত সকল ইমেইল ঠিকানায়।
ট্রোজান হর্স
নামের সাথে ‘ঘোড়া’ থাকলেও নিজে না ছুটে এরা বরং যে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনে জায়গা করে নেয় তার মালিককেই হয়রানির একশেষ করে দেয়।
ট্রোজানের সবচেয়ে ভয়াবহ দিক হচ্ছে যে কোনো মুহুর্তে এটা হার্ড ডিস্ক ফরম্যাট করে দিতে পারে, মানে চিরতরে মুছে যাবে আপনার সব ছবি, ডাটা বা ফাইল।
ট্রোজানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য এই যে এরা ছদ্মবেশ ধরতে পারে! যেমন ধরুন একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী হয়তো গেইম খেলতে খুব পছন্দ করেন তথা এই ধরণের প্রোগ্রামগুলোই বেশি চালান। ট্রোজান সেক্ষেত্রে নিজেকে একটি গেমিং ফোল্ডার হিসেবে শো করে অপেক্ষা করতে থাকে ক্লিকের জন্য। ব্যবহারকারী মনের ভুলে ওই ফাইলে ক্লিক করামাত্রই সর্বনাশ যা হওয়ার হয়ে যায়।
বহুমুখী ভাইরাস
ভাইরাসের দুনিয়ায় নতুন সংযোজন এই ক্যাটাগরির ভাইরাসরা। সাধারণত একটি ভাইরাস যে কোনো একটি মাধ্যমে ছড়ায় ও কাজ করে – কিন্তু, এই ক্যাটাগরির ভাইরাসগুলো একসাথে একাধিক মাধ্যম ব্যবহার করে।
বহুমুখী মাধ্যম ও কার্যপ্রণালী ব্যবহার করার ফলে এই ধরণের ভাইরাসে ক্ষয়ক্ষতির হারও বেশি থাকে।
পলিমরফিক ভাইরাস
আরেকটি শক্তিশালী ভাইরাস-গ্রুপ পলিমরফিক। সংক্রমণের পর থেকে প্রতিটি বিস্তারে কোড চেইঞ্জ (সাধারণত এন্টিভাইরাসগুলো কোড নির্ধারনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করে ভাইরাসদের – ফলে কোড চেইঞ্জ হয়ে গেলে একটি ভাইরাসকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না) করে এরা সম্মিলিত আক্রমণ করে আক্রান্ত ডিভাইসে।
রেসিডেন্ট ভাইরাস
ভাইরাসজগতের সবচেয়ে ‘বিশ্রী’ ভাইরাস নিঃসন্দেহে এই রেসিডেন্ট ভাইরাসরা।
অন্যান্য ভাইরাস আশ্রয় নেয় বিভিন্ন ফাইলে, যা হার্ড ডিস্কের বিভিন্ন ফোল্ডারে সে’ভ করা থাকে, কিন্তু রেসিডেন্ট ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেম থাকাকালীন হার্ড ডিস্কে ঢুকলেও একসময় আসন গেড়ে বসে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের র‍্যাম তথা মূল মেমোরিতে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় এই যে একবার কম্পিউটারের স্মৃতিতে আশ্রয় নিলে এসব ভাইরাসকে তাড়ানো একরকম অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়, মানে বুঝতেই পারছেন তখন সম্পুর্ণ কম্পিউটার বা স্মার্টফোনটিই ব্যবহারের অনুপযোগী হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
ওয়েব স্ক্রিপটিং ভাইরাস
আমরা প্রায়ই দেখি কোনো কোনো ওয়েবসাইটে ঢুকলে তাদের পেইজে প্রদর্শিত ভিডিও বা অন্য কোনো কনটেন্ট দেখতে বিভিন্ন এডঅন ইনস্টল করতে বলা হয়। এ ধরণের ফাইলগুলোর এক্সিকিউশন থেকে ছড়ায় ওয়েব স্ক্রিপটিং ভাইরাস।
ভাইরাসের সাত-সতেরো তো জানা হলো, আগামী পর্বে আমরা জানবো ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচার উপায় কী কী।

দেখে নিন কিভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত Websites block করবেন!!

আপনার পছন্দের অ্যান্ডয়েড ফোন থেকে যেন অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ যাতে যত্রতত্র যেকেনো ওয়েবসাইটে ঢুকতে না পারে, সেই ব্যবস্থা সহজেই করে নিতে পারেন। স্মার্টফোনে নির্দিষ্ট কিছু ওয়েবসাইট যাতে না খোলে (ব্লক করে রাখা), সে জন্য ঐ সাইট ব্লক করে রাখতে হয়।এ জন্য বেশ কাজের একটি এপস হলো "Host Editor"। এই এপসটি ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের হোস্ট ফাইলকে সম্পাদন করার মাধ্যমে আপনার স্মার্টফোনে সাইটে ব্রাউজিংয়ের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আনতে পারবেন।মূলত Host Editor এপসটি প্রতি ওয়েবসাইটের জন্য একটি আইপি এড্রেস নির্ধারণ করে দেয় এবং অনুমতি ছাড়া কাউকে সেই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে দেয় না। সাইট ব্লক করতে আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।এ জন্য প্রথমেই আপনাকে "Host editor" নামের এপসটি আপনার এন্ড্রয়েড ফোনে ইন্সটল করে নিতে হবে। এপসটি গুগল প্লে স্টোর
থেকে নামিয়ে নিতে পারবেন। এপসটি নামানো হয়ে গেলে আপনার স্বাধের ফোনে ইন্সটল করে নিন।ইন্সটল শেষে সেটি চালু করে মেনু থেকে New Entry নির্বাচন করুন।এবার IP Address এর ঘরে 127.0.0.1 লিখে Host entries ঘরে যে সাইট ব্লক করতে চান,তার ঠিকানা (যেমন facebook.com,আমি উদাহরণ স্বরুপ ফেসবুকের নাম লিখলাম) লিখে Save New Host বাটন চেপে সেটি সংরক্ষণ করে দিন।এভাবে যতগুলো সাইট ব্লক করতে চান, New Entry চেপে করে নিতে পারবেন।খেয়াল রাখুন, প্রথম যেকেনো সাইট ব্লক করার জন্য IP Address এর ঘরে 127.0.0.1 লিখলে পরেরটির জন্য আপনাকে IP Address এর ঘরে 127.0.0.2 লিখতে হবে।এভাবে আপনার যত সাইট ব্লক করা দরকার, প্রতিবার IP Address ঘরের আইপি ঠিকানার শেষের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বাড়িয়ে নিতে থাকবেন।এভাবে কাজটি করতে পারলে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ব্লক হবে এবং কেউ সেটিতে ঢুকতে পারবে না। এভাবে আপনার যত ইচ্ছা সাইট ব্লক করে নিতে পারবেন।তারপরও যদি কারও বুঝতে সমস্যা হয়, তবে আপনার জন্য তো টিউমেন্ট বক্স খালিই পড়ে আছে।আপনার সমস্যা জানাতে পারেন নির্দ্বিধায়।আজ এ পর্যন্তই। "ভালো থাকুন সবাই, ভালো রাখুন চারপাশের সবাইকে"।
আস্সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ্।

11.19.2015

১০০,০০০ বছর পরে কি হবে?


ভবিষ্যৎ সবসময়ই অজানা, বিশেষ করে দুর ভবিষ্যৎ, কিন্তু মানুষের শিক্ষা ও কল্পনা কিছুতেই থেমে থাকার নয়। তাই তো শিল্পী ও গবেষক নিকোলে লেম ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটেশনাল জেনো-মিক্স এর বিশেষজ্ঞ ড: এলান কোয়ান এর সহায়তায় দেখতে চেষ্টা করছেন ভবিষ্যতকে।শুরুতেই তাদের প্রশ্নছিল: আজ থেকে ১০০,০০০ বছর পরের মানুষের দেখতে কেমন হবে? এবং কেন?
 
এযাবৎ পর্যন্ত প্রকৃতিগত কারণে সাধিত পরিবর্তনের আলোকে ভবিষ্যতে এডভান্সড জেনে-টিক ইঞ্জিয়ারিং টেকনোলজি সময়ের সাথে মানুষের আকার-আকৃতিতে কিভাবে পরিবর্তন সাধন করতে পারে, আসলে সে বিষয়টিই তারা দেখাতে চেয়েছেন। আর এ জন্য মি. লেম সময়ানুক্রমে মনুষ্য আকৃতি ২০,০০০ বছর, ৬০,০০০ বছর ও ১০০,০০০ বছর পরে কেমন হতে পারে তার কিছু ছবি তৈরি করেছেন।
(বর্তমানের একজন পুরুষ ও একজন মহিলার সাধারণ ও  অপরিবর্তিত ছবি)

কম্পিউটার কি-বোর্ডের ১০০+টি শর্টকাট ব্যবহার

আপনার কম্পিউটারে মাউসের ব্যবহার কমিয়ে কিবোর্ডের ব্যবহার বাড়ান৷ কারণ, মাউসে সমস্যা হলে আপনার কম্পিউটার অকেজো হয়ে পরে৷ তার থেকে মুক্তি পাবেন কি-বোর্ড দিয়েই প্রয়োজনীয় কাজগুলি করতে পারলে৷ আর তাছাড়া মাউসের থেকে কিবোর্ড ব্যবহার করে কাজ করলে আপনার কাজের সময়ও অনেক কমবে৷ মাউস পয়েন্টার নিয়ে সঠিক জায়গায় ক্লিক করে কাজ করতে যা সময় লাগে তার অর্ধেক সময়ে আপনি কিবোর্ডের ব্যবহারে কাজ করতে পারবেন কম্পিউটারে৷ তাই দ্রুত ভালো কাজের জন্য আপনাকে দেয়া হলো কি-বোর্ডের ১০০টি শর্টকাট টিপস৷
Keyboard Shorcuts (Microsoft Windows)
1. CTRL+C (Copy)
2. CTRL+X (Cut)
3. CTRL+V (Paste)
4. CTRL+Z (Undo)
5. DELETE (Delete)
6. SHIFT+DELETE (Delete the selected item permanently without placing the item in the Recycle Bin)
7. CTRL while dragging an item (Copy the selected item)
8. CTRL+SHIFT while dragging an item (Create a shortcut to the selected item)
9. F2 key (Rename the selected item)
10. CTRL+RIGHT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next word)
11. CTRL+LEFT ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous word)
12. CTRL+DOWN ARROW (Move the insertion point to the beginning of the next paragraph)
13. CTRL+UP ARROW (Move the insertion point to the beginning of the previous paragraph)
14. CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (Highlight a block of text)
SHIFT with any of the arrow keys (Select more than one item in a window or on the desktop, or select text in a document)
15. CTRL+A (Select all)
16. F3 key (Search for a file or a folder)
17. ALT+ENTER (View the properties for the selected item)
18. ALT+F4 (Close the active item, or quit the active program)
19. ALT+ENTER (Display the properties of the selected object)
20. ALT+SPACEBAR (Open the shortcut menu for the active window)
21. CTRL+F4 (Close the active document in programs that enable you to have multiple documents opensimultaneou sly)
22. ALT+TAB (Switch between the open items)
23. ALT+ESC (Cycle through items in the order that they had been opened)
24. F6 key (Cycle through the screen elements in a window or on the desktop)
25. F4 key (Display the Address bar list in My Computer or Windows Explorer)
26. SHIFT+F10 (Display the shortcut menu for the selected item)
27. ALT+SPACEBAR (Display the System menu for the active window)
28. CTRL+ESC (Display the Start menu)
29. ALT+Underlined letter in a menu name (Display the corresponding menu) Underlined letter in a command name on an open menu (Perform the corresponding command)
30. F10 key (Activate the menu bar in the active program)
31. RIGHT ARROW (Open the next menu to the right, or open a submenu)
32. LEFT ARROW (Open the next menu to the left, or close a submenu)
33. F5 key (Update the active window)
34. BACKSPACE (View the folder onelevel up in My Computer or Windows Explorer)
35. ESC (Cancel the current task)
36. SHIFT when you insert a CD-ROMinto the CD-ROM drive (Prevent the CD-ROM from automatically playing)
VIDEO : Presiden Jokowi Tiba Di Kuala Lumpur, Malaysia
Dialog Box – Keyboard Shortcuts
1. CTRL+TAB (Move forward through the tabs)
2. CTRL+SHIFT+TAB (Move backward through the tabs)
3. TAB (Move forward through the options)
4. SHIFT+TAB (Move backward through the options)
5. ALT+Underlined letter (Perform the corresponding command or select the corresponding option)
6. ENTER (Perform the command for the active option or button)
7. SPACEBAR (Select or clear the check box if the active option is a check box)
8. Arrow keys (Select a button if the active option is a group of option buttons)
9. F1 key (Display Help)
10. F4 key (Display the items in the active list)
11. BACKSPACE (Open a folder one level up if a folder is selected in the Save As or Open dialog box)
Microsoft Natural Keyboard Shortcuts
1. Windows Logo (Display or hide the Start menu)
2. Windows Logo+BREAK (Display the System Properties dialog box)
3. Windows Logo+D (Display the desktop)
4. Windows Logo+M (Minimize all of the windows)
5. Windows Logo+SHIFT+M (Restorethe minimized windows)
6. Windows Logo+E (Open My Computer)
7. Windows Logo+F (Search for a file or a folder)
8. CTRL+Windows Logo+F (Search for computers)
9. Windows Logo+F1 (Display Windows Help)
10. Windows Logo+ L (Lock the keyboard)
11. Windows Logo+R (Open the Run dialog box)
12. Windows Logo+U (Open Utility Manager)
13. Accessibility Keyboard Shortcuts
14. Right SHIFT for eight seconds (Switch FilterKeys either on or off)
15. Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (Switch High Contrast either on or off)
16. Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK (Switch the MouseKeys either on or off)
17. SHIFT five times (Switch the StickyKeys either on or off)
18. NUM LOCK for five seconds (Switch the ToggleKeys either on or off)
19. Windows Logo +U (Open Utility Manager)
20. Windows Explorer Keyboard Shortcuts
21. END (Display the bottom of the active window)
22. HOME (Display the top of the active window)
23. NUM LOCK+Asterisk sign (*) (Display all of the subfolders that are under the selected folder)
24. NUM LOCK+Plus sign (+) (Display the contents of the selected folder)
MMC COnsole Windows Shortcut keys
1. SHIFT+F10 (Display the Action shortcut menu for the selected item)
2. F1 key (Open the Help topic, if any, for the selected item)
3. F5 key (Update the content of all console windows)
4. CTRL+F10 (Maximize the active console window)
5. CTRL+F5 (Restore the active console window)
6. ALT+ENTER (Display the Properties dialog box, if any, for theselected item)
7. F2 key (Rename the selected item)
8. CTRL+F4 (Close the active console window. When a console has only one console window, this shortcut closes the console)
Remote Desktop Connection Navigation
1. CTRL+ALT+END (Open the Microsoft Windows NT Security dialog box)
2. ALT+PAGE UP (Switch between programs from left to right)
3. ALT+PAGE DOWN (Switch between programs from right to left)
4. ALT+INSERT (Cycle through the programs in most recently used order)
5. ALT+HOME (Display the Start menu)
6. CTRL+ALT+BREAK (Switch the client computer between a window and a full screen)
7. ALT+DELETE (Display the Windows menu)
8. CTRL+ALT+Minus sign (-) (Place a snapshot of the active window in the client on the Terminal server clipboard and provide the same functionality as pressing PRINT SCREEN on a local computer.)
9. CTRL+ALT+Plus sign (+) (Place asnapshot of the entire client window area on the Terminal server clipboardand provide the same functionality aspressing ALT+PRINT SCREEN on a local computer.)
Microsoft Internet Explorer Keyboard Shortcuts
1. CTRL+B (Open the Organize Favorites dialog box)
2. CTRL+E (Open the Search bar)
3. CTRL+F (Start the Find utility)
4. CTRL+H (Open the History bar)
5. CTRL+I (Open the Favorites bar)
6. CTRL+L (Open the Open dialog box)
7. CTRL+N (Start another instance of the browser with the same Web address)
8. CTRL+O (Open the Open dialog box,the same as CTRL+L)
9. CTRL+P (Open the Print dialog box)
10. CTRL+R (Update the current Web)।

কয়েকটি সাইটের সহায়তায় ফেসবুক সহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে ঢুকবেন

কয়েকটি সাইটের সহায়তায় ফেসবুক সহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেভাবে ঢুকবেন :
http://e-aiman.blogspot.com/সরকারী নির্দেশনায় বর্তমানে সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধ।
বিগত সেনা-নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালে কারফিউয়ের মধ্যে মোবাইল ফোন সেবা সাময়িক বন্ধ থাকলেও ইন্টারনেট চালু ছিল। এরপর একবার বিটিআরসি ইন্টারনেটের আপলোড গতি কমানোর নির্দেশনা দিলেও ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। অবশ্য ছয়টি আন্তর্জাতিক টেরিস্টেরিয়াল কেব্ল সংযোগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে একমাত্র সাবমেরিন কেব্লে সমস্যা হলে বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটে যুক্ত হতে পারতেন না।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার সীমিত বা বন্ধ করার বিষয়ে চলতি মাসের শুরুর দিকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নেদারল্যান্ডস থেকে ফিরে ৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গি অর্থায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধরতে জটিলতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল করেছি। এর শুভ ফলও যেমন আছে, খারাপ ফলও আছে। আমরা থ্রিজি ও ফোরজিতে চলে গেছি। এ কারণে জঙ্গিরা ইন্টারনেট, ভাইবার থেকে শুরু করে নানা ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করে জঙ্গি কার্যক্রম চালাচ্ছে। সূত্র- প্রথম আলো।
ফেসবুক ছাড়া অন্যান্য যোগাযোগ এর মাধ্যমে না ঢাকাই ভালো।  সরকারীর সিদ্ধান্তে এসব বন্ধ হলেও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেননি অনেকে কিছু সময়ের জন্য।
সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধ।   তবুও আপনি চাইলে ঢুকতে পারবেন। বিশেষ করে ফেসবুকে ঢুকতে নিচের নির্দেশনা অনুসরণ করুন...নিচের যেকোন একটি সাইটে যান...http://free-proxyserver.com/
https://www.proxysite.com/
https://hide.me/en/proxyএবার সেখানে যে সাইকে ঢুকতে চান এড্রেস লিখুন...
ব্যাস এবার আপনি যেকোন সাইটে ঢুকে কাজ করা সহ আপডেট জানতে পারবেন।
আরো জানতে ভিজিট করুন...উল্লেখ্য, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া ফেসবুকেও না ঢুকাই ভালো।

11.18.2015

যে কারনে ফেসবুক ভাইবার হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করে দিলো সরকার...

ফেসবুক-ভাইবার-হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগের কয়েকটি মাধ্যম বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। আজ বুধবার দুটি আলাদা নির্দেশনায় এ সব মাধ্যম বন্ধ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।
তবে ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়টি গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। যদিও বেলা দেড়টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ ছিল।
বিটিআরসির উচ্চ পর্যায়ের সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে বিটিআরসি এ নির্দেশনা জারি করেছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধের এ নির্দেশনা বলবৎ থাকবে।
বুধবার দুপুরে প্রথম নির্দেশনায় ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করার নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি। পরে আরেকটি নির্দেশনায় লাইন, ট্যাংগো, হ্যাংআউটসহ আরও কয়েকটি মাধ্যম বন্ধের কথা জানানো হয়।

একাধিক মুঠোফোন অপারেটর, ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) বিটিআরসির এ নির্দেশনা পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁরা প্রথম আলোকে বলেন, দুপুরে বিটিআরসি থেকে মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে দুটি লিখিত আদেশ পাঠানো হয়।
কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, লিখিত নির্দেশনায় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো বন্ধের কথা বলা হলেও মৌখিকভাবে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী আইআইজিগুলো বেলা দেড়টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত এক ঘন্টা ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখে। পরে বিটিআরসি থেকে ইন্টারনেট সেবা চালু করার কথা জানিয়ে দেওয়ার পর সেটা চালু করা হয়।
তবে ইন্টারনেট বন্ধের নির্দেশনার কথা অস্বীকার করেছেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শাহজাহান মাহমুদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অনুরোধে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো বন্ধের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এসব মাধ্যম বন্ধ করতে গিয়ে ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের ওপর কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে তা হবে সাময়িক।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি চলার সময় ‘নিরাপত্তার’ কারণ দেখিয়ে ভাইবার, ট্যাংগো, হোয়াটসঅ্যাপ, মাইপিপল ও লাইন নামের পাঁচটি অ্যাপসের সেবা বন্ধ করে দেয় সরকার। তখন বলা হয়েছিল, বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য এসব অ্যাপস ব্যবহার করতেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার সীমিত বা বন্ধ করার বিষয়ে চলতি মাসের শুরুর দিকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নেদারল্যান্ডস থেকে ফিরে গত ৮ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলনে জঙ্গি অর্থায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধরতে জটিলতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ডিজিটাল করেছি। এর শুভ ফলও যেমন আছে, খারাপ ফলও আছে। আমরা থ্রি-জি ও ফোর-জিতে চলে গেছি। এ কারণে জঙ্গিরা ইন্টারনেট, ভাইবার থেকে শুরু করে নানা ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করে জঙ্গি কার্যক্রম চালাচ্ছে। সে জন্য আমাদের চিন্তাভাবনা আছে, যদি খুব বেশি ব্যবহার করে হয়তো একটা সময়ের জন্য বা কিছুদিনের জন্য বন্ধ করে দেব। এই লিংকগুলো (জঙ্গি অর্থায়নের সূত্র) যাতে ধরা যায়।’
১১ নভেম্বর জাতীয় সংসদেও একই ধরনের বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের কোনোভাবে সহ্য করা হবে না। কিছুদিনের জন্য হলেও এটা বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের যাতে ধরা যায় সে পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য এটা বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে ধরা হবে।’
তথ্য সুত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো

গুগল আমাদের কি কি সার্ভিস প্রদান করে।

টেক জায়ান্ট গুগল আমাদের নিত্যদিনের বন্ধু। আমরা কোন কিছু খুজতে চাই সর্বপ্রথম গুগল কেই প্রাধান্য দিই। গুগল আমাদের নির্ভেজাল তথ্য প্রধান করে। আমার এক স্যার বলেছিল যে গুগলে সঠিকভাবে সার্চ করতে জানে তার জন্য পৃথিবীর কোন প্রবলেম, প্রবলেম-ই না। আমরা প্রতিদিন গুগল ব্যবহার করি কিন্থু গুগল আমাদের আরো কি কি সেবা প্রধান করে তা জানিনা। আজ আমি আপনাদের তা জানাতে চেষ্টা করব। চলুন শুরু করা যাক।
আমি প্রথমে ৯ টি ভাগে ভাগ করব।

১) Web

  1. Web Search : বিলিয়ান ওয়েব পেজ অনুসন্ধান।
  2. Bookmarks Google : বুকমার্ক গুগল একাউন্ট হোল্ডার জন্য উন্মুক্ত একটি ফ্রি অনলাইন বুকমার্ক সার্ভিস.Google Chrome: গতি, সরলতা এবং নিরাপত্তা জন্য নির্মিত একটি ব্রাউজার.

2) Mobile:

  1. Mobile: Google :  মোবাইল সেবা ব্যবহারকারীর মোবাইল অভিজ্ঞতা উন্নত করার জন্য Google দ্বারা সরবরাহিত অ্যাপ্লিকেশন Google মোবাইল সেবা অ্যান্ড্রয়েড থেকে স্বতন্ত্র; তারা গুগল থেকে একটি সম্পূর্ণ "পৃথক লাইসেন্স" নিয়ে কাজ করছে।
  2. Map For Mobile:   Google Maps- Android এবং iOS অপারেটিং সিস্টেমের জন্য একটি ম্যাপিং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন; তথ্যের জন্য গুগল ম্যাপস ব্যবহার করে.।
  3. Search For Mobile: আপনি যেখানেই থাকুননা কেন গুগলে অনুসন্ধান করতে পারবেন।

৩) Business :

  1. AdSense: অ্যাডসেন্স (Google AdSense এর) Google দ্বারা একটি বিজ্ঞাপন বসানো সেবা. ওয়েবসাইটের পাতায় লক্ষ্যপূর্ণ পাঠ্য, ভিডিও বা ইমেজ বিজ্ঞাপন প্রদর্শন এবং সাইটের দর্শকদের বিজ্ঞাপন দেখতে বা ক্লিক করা হলে অর্থ উপার্জন করতে চান তাদের ওয়েবসাইট প্রকাশকদের জন্য ডিজাইন করা হয়.
  2. AdMob: AdMob এর ওমর Hamoui দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি মোবাইল বিজ্ঞাপন কোম্পানী. নাম AdMob এর "মোবাইল বিজ্ঞাপন". এটি 2006 সালে গঠিত হয়েছিল এবং মাউন্টেন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক.

11.17.2015

আরোহী হাঁটলেই চলবে সাইকেল

আরোহী হাঁটলেই চলবে সাইকেলশরীর ফিট রাখতে অনেকেই জগিং করেন। কেউ সাইকেল চালিয়ে নিজেকে কর্মক্ষম রাখেন। কেউবা চার দেয়ালের মধ্যেই বন্দি থেকে ট্রেডমিলে হেঁটে শরীরে ঘাম ঝরান। এবার সাইকেল চালানো এবং হাঁটা একসঙ্গেই হবে। এজন্য বাজারে এলো দুর্দান্ত এক সাইকেল। যেটার নাম ওয়াকিং বাইক। এটি বাজারে এনেছে ‘লোপিফিট’।

এই সাইকেলটি মূলত ই-বাইক। এটাতে আছে ছোট্ট আকারের ট্রেডমিল। এই ট্রেডমিলে আরোহী হাঁটতে শুরু করলেই চলতে শুরু করবে সাইকেল। হাঁটার গতি যেমন হবে সাইকেলের গতিও তেমন হবে। অথাৎ কেউ যদি সাইকেলের গতি বাড়াতে চান তবে তাকে জোর কদমে হাঁটতে হবে।

ওয়াকিং সাইকেকের ট্রেড মিলের নিচে আছে সেন্সর। আপনি যখন ট্রেড মিলের ওপরে দাঁড়িয়ে সামনের দিকে হাঁটতে শুরু করবেন অমনি সাইকেলটির ইলেকট্রিক ডিভাইসে সিগন্যাল পৌঁছে যাবে। ফলে চালু হয়ে যাবে মোটর। এই মোটর আপনার হাঁটার গতি বজায় রাখবে। আপনি যদি দাঁড়িয়ে থাকেন তখনও চলতে থাকবে সাইকেলটি। এজন্য আছে ফ্রি হুইল ফাংশন। অন্যদিকে এটাকে থামাতে হলে ব্রেক কষতে হবে।

লোপিফিটের এই সাইকেলটি পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন রঙে পাওয়া যাচ্ছে। স্টিল ফ্রেমের এই সাইকেলটি দেখতে যেমন আকর্ষণীয় তেমনি চড়তেও আরাম। আরোহীর উচ্চতা অনুযায়ী হাতল ছোট বড় করা যায়। হাতলে আছে ছোট আকারের ডিসপ্লে। যেখানে বাইকের গতি, ব্যাটারির চার্জের পরিমান জানা যাবে।

এই ওয়াকিং বাইকের মূল্য ১৮৯৯ ডলার। ভ্যাট এবং ট্যাক্সবাদে বাংলাদেশি টাকায় এটির মূল্য দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮ টাকা।

নতুন চেহারায় আসছে নকিয়া ১১০০!

নতুন চেহারায় আসছে নকিয়া ১১০০!দেশের বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে কোন ফোনটি এই প্রশ্নের জবাবে সবাই একবাক্যে বলবে নোকিয়া ১১০০। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন যুগের আগে ফিচার ফোনের আমলে এই সেটটির চেয়ে বেশি আর কোনো বিক্রি হয়নি। সবার হাতে হাতেই তখন শোভা পেত নকিয়া ১১০০।

এই মডেলের ফোনটি প্রথম পাঁচ বছরেই বিক্রি হয়েছিল ২৫ কোটি ইউনিটেরও বেশি।

সাদামাটা এই ফোনটি বাজারে আসার পরই জনপ্রিয়তা পায় সাধারণ মানুষের কাছে। সারা পৃথিবীতে মানুষের হাতে হাতে চলে আসে ফোনটি। বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশে নোকিয়া ১১০০ মডেলের ফোনটি সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অন্যতম অনুসঙ্গ হয়ে ওঠে।

সহজেই হাতের মুঠোয় ধরা যেতো এটি। ছিলো টর্চ লাইট, সফট কিবোর্ড এবং মনোফোনিক রিংটোন। অন্যদিকে ফোনটির দামও ছিলো হাতের নাগালে।

নোকিয়া ১১০০ মোবাইল যুগের শুরুর দিকের ফিচার ফোন। ফোনটি প্রথম বাজারে আসে ২০০৩ সালে। ২০০৯ সাল পর্যন্ত নোকিয়া এই ফোনটি উৎপাদন ও বাজারজাত করে।

আশার কথা হলো, নকিয়া ১১০০ ফোনটি আবারও বাজারে ফিরছে বলে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। তবে এখন আর ফিচার্ড নয় অ্যানড্রয়েডের হাত ধরে স্মার্ট হয়ে বাজারে আসবে। এতে থাকবে ১.৩ গিগাহার্টজের মিডিয়াটেক প্রসেসর। আগামী বছরের মাঝামাঝি নাগাদ ফোনটি বাজারে আসবে বলে জানিয়েছে নকিয়া।

সৌরজগতের "সবচেয়ে দূরবর্তী" বস্তু


সৌরজগতের সৌরজগতের সবচেয়ে দূরবর্তী বস্তু শনাক্ত করা দাবি করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। বস্তুটির দূরত্ব আনুমানিক ১৫শ" কোটি ৫০ লাখ কিলোমিটার। বস্তুটির নাম দেয়া হয়েছে "ভি ৭৭৪১০৪"। জাপানি সুবারু টেলিস্কোপ দিয়ে বস্তুটি শনাক্ত করেন বিজ্ঞানীরা।

বস্তুটি যে দূরত্বে শনাক্ত করা হয়েছে তা সৌরজগতের সবচেয়ে দূরবর্তী সদস্য বলে কথিত প্লুটোর সবচেয়ে দূরবর্তী অবস্থান থেকেও তিনগুণ বেশি।
বিজ্ঞানীদের দাবি,  প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বরফে আচ্ছাদিত এই বস্তুটির পরিধি ৫০০ থেকে এক হাজার কিলোমিটার। আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির ডিভিশন অব প্ল্যানেটারি সায়েন্সের ৪৭তম বার্ষিক অধিবেশনে বস্তুটি আবিষ্কারের এই কথা জানানো হয়। খবর বিবিসির
 

ধরা পড়ল সৌরজগতের বাইরের পৃথিবী...

ধরা পড়ল সৌরজগতের বাইরের পৃথিবী৮টি টেলিস্কোপ ছিল অতন্দ্র অপেক্ষায়। যন্ত্র তো অতন্ত্র থাকবেই, সে আর বড় কথা কী! আসলে যন্ত্রদের পিছনে বিজ্ঞানীদের অতন্দ্র আবিষ্কারের ইচ্ছেটিই আসল। অধীর অপেক্ষায় ছিলেন তারা।  কোনও নতুন গ্রহের খোঁজ পাওয়া যায় কি না, তা জানার জন্য।

অবশেষে নিজস্ব সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে গিয়ে ধরা পড়ল ৩৯ আলোকবর্ষ দূরের একটি গ্রহ। বিজ্ঞানীদের ধারণা, সৌরজগতের বাইরে এটিই সম্ভবত পৃথিবীর সবথেকে কাছের গ্রহ।
বিজ্ঞানীরা নয়া এই গ্রহের নাম দিয়েছেন GJ 1132b. আকারে পৃথিবীর থেকে ১.২ গুণ বড়। পাথুরে এই গ্রহ ভেলা নক্ষত্রপুঞ্জের ছোট্ট একটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে। গ্রহটির উষ্ণতা যে রকম অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা, তাতে এখানে জীবনের সন্ধান পাওয়া অসম্ভব।

কিন্তু অন্য একটি কারণে এটি জ্যোর্তিবিজ্ঞানীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সৌরজগতের বাইরে এখনও অবধি পৃথিবীর কাছের গ্রহ হিসেবে বলে যেটির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল, তার থেকেও ৯০ আলোকবর্ষ কাছে আছে এই গ্রহটি।

জীবন তৈরি হওয়ার জন্য কীরকম আবহাওয়া দরকার সেই নিয়ে বিজ্ঞানীদের নিরন্তর গবেষণায় এই গ্রহটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবেই বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। কেননা সৌরজগতের বাইরে পৃথিবীর কাছের গ্রহ যদি এটিই হয়ে থাকে, তবে এই গ্রহের পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা গবেষণায় নতুন দিশা দেখাতে পারে।

চিলির ‘ম্যাকআর্থ সাউথ অবজারভেটারি’র সাজিয়ে রাখা ৮ টেলিস্কোপের চোখে ধরা পড়েছে এই নতুন গ্রহ। পৃথিবীর হিসেবে ১.৬ দিনে গ্রহটি একবার করে এর নিজস্ব সূর্যের সামনে দিয়ে যায়। নক্ষত্রের আলো যখন গ্রহটির মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে, সেই আলোর তীব্রতা, মাত্রা হদিশ দেবে গ্রহটির প্রকৃতি কীরকম। তা থেকেই জানা যাবে প্রাণ সৃষ্টি হওয়ার জন্য আর কী কী দরকার।

এই গবেষণা সফল হলে, সৌরজগত এবং সৌরজগতের বাইরে কোথায় প্রাণ আছে, তা জানা অনেক সহজ হয়ে যাবে বলেই বিজ্ঞানীদের ধারণা।

বিশ্বের সেরা ১৮ স্মার্টফোন

বিশ্বের সেরা ১৮ স্মার্টফোন স্মার্টফোনের বাজারে প্রতিনিয়তই যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সব ফিচারের স্মার্টফোন। এর মধ্যে ফ্লাগশিপ স্মার্টফোনগুলো তাদের আধুনিক সব ফিচারের মাধ্যমে চমক সৃষ্টি করছে স্মার্টফোনের বাজারে।

ব্যবসা ও প্রযুক্তিবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বিজনেস ইনসাইডার তাদের এক প্রতিবেদনে সেরা ১৮টি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের র‌্যাংকিং প্রকাশ করেছে।

 ১৮. ব্ল্যাকবেরি পাসপোর্ট

ব্লাকবেরি পাসপোর্ট স্মার্টফোনটির ডিজাইন ভিন্ন ঘরানার। তবে চার কোনা পাসপোর্ট আকৃতির এই ফোনটি ব্ল্যাকবেরির অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই বেশ পছন্দ। স্মার্টফোনটির কিবোর্ডটিও বেশ আকর্ষণীয়। তবে চার কোনা স্কয়ার ডিজাইন-ই আসলে স্মার্টফোনটির মূল বিশেষত্ব। ৪.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ৩৪৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম ব্ল্যাকবেরি ১০.৩। ব্ল্যাকবেরি পাসপোর্ট-এর দাম ৫০০ ডলার।



১৭. ব্ল্যাকবেরি ক্লাসিক

আপনি যদি ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোনের ভক্ত হয়ে থাকেন এবং ব্ল্যাকবেরির শুরুর দিককার স্মার্টফোনগুলোর ডিজাইন ভালো লেগে থাকে, তাহলে নিশ্চিত আপনার পছন্দ হবে ব্ল্যাকবেরির নতুন ক্লাসিক স্মার্টফোনটি। কোয়ার্টি কিবোর্ডের এই স্মার্টফোনটি দেখতে ব্ল্যাকবেরির একসময়ের বোল্ড এবং কার্ভ স্মার্টফোনগুলোর মতো। ৩.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২৫১৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম ব্ল্যাকবেরি ১০.৩.১। ব্ল্যাকবেরি ক্লাসিক-এর দাম ৩৮০ ডলার।



১৬. ব্ল্যাকবেরি প্রিভ

স্মার্টফোনের বাজারে বর্তমানে দু:সময় চলছে ব্ল্যাকবেরির। এই দু:সময়ে ব্ল্যাকবেরির শেষ আশা তাদের "প্রিভ" স্মার্টফোনটি। কেননা অ্যান্ড্রয়েডের রমরমা বর্তমান বাজারে এটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ব্ল্যাকবেরির প্রথম স্মার্টফোন। ব্ল্যাকবেরি প্রিভ মডেলের নতুন এই স্মার্টফোনটি অন্যান্য অ্যান্ড্রয়েড ফোনের দেখতে হলেও, এর ডিজাইনে ভিন্ন রয়েছে। এতে স্লাইড সুবিধার কিবোর্ড যুক্ত রয়েছে। যারা স্লাইড সুবিধার স্মার্টফোন ব্যবহারে আগ্রহী এবং সে স্মার্টফোনে গুগলের অ্যাপসও চান, তাদের জন্য আদর্শ ব্ল্যাকবেরির প্রিভ স্মার্টফোনটি। ৫.৪ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৮ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ৩৪১০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.১.১। ব্ল্যাকবেরি প্রিভ-এর দাম ৭০০ ডলার।

১৫. মটোরোলা মোটো জি

সহজলভ্য দামের মধ্যে ভালো একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করতে চাইলে, মটোরোলার "মটো জি" স্মার্টফোনটি অতুলনীয়। এটি যে খুব শক্তিশালী একটি ফোন তা কিন্তু নয়, তবে দামের বিচারে যে ফিচার রয়েছে তাতে এটি অন্যতম সেরা একটি স্মার্টফোন। ৫.০ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২৪৭০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.১.১। মটোরোলার মটো জি-এর দাম ১৮০ ডলার।

১৪. এইচটিসি ওয়ান এম৯

এইচটিসির নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন হচ্ছে এইচটিসি ওয়ান এম৯। এটি দেখতে খুবই আকর্ষণীয় এবং প্রিমিয়াম ডিজাইনের। তবে এইচটিসির সাড়া জাগানো ফ্ল্যাগশিপ সিরিজ ওয়ান এর নতুন ফোন এম৯-এর হতাশাজনক দিক রয়েছে। মূলত ডিজাইনকেই এই ফোনের সবচেয়ে প্রশংসনীয় দিক বলা হয়েছে। সেটুকু বাদ দিলে পূর্ববর্তী ফোনের তুলনায় নতুন ফোনটির পার্থক্য প্রত্যাশার চেয়ে কমই। মোবাইল পেমেন্টে সিস্টেম এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরের জন্য এইচটিসি ওয়ান সিরিজ জনপ্রিয় হলেও নতুন এম৯ ডিভাইসটিতে বিশেষ এই দুইটি সুবিধা নেই। ৫.০ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ২০ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৪ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২৮৪০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.১.১। এইচটিসি ওয়ান এম৯-এর দাম ৬৫০ ডলার।

১৩. অ্যাপল আইফোন ৬

এটা ঠিক যে, আইফোন ৬ এক বছর আগে বাজারে এসেছে কিন্তু এই স্মার্টফোনটির জনপ্রিয়তায় এখনো ভাটা পড়েনি। এমনকি সম্প্রতি বাজারে আসা আইফোন ৬এস এর মতোই এটি। আপনার হাতে এই ফোনটি দেখে অন্যরা ধারণা করতে পারবে না যে, এটি আইফোনের গত বছরের মডেল। ৪.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ১.২ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ১ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ১৮১০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৮। আইফোন ৬-এর দাম ৫৪৯ ডলার।

১২. অ্যাপল আইফোন ৬ প্লাস

দীর্ঘ ডিসপ্লের স্মার্টফোন হিসেবে বাজারে এখনো সবার চেয়ে সেরা অ্যাপলের আইফোন ৬ প্লাস। গত বছরের এই মডেলটি ব্যবহারে সদ্য বাজারে আসা অ্যাপলের আরো উন্নত সংস্করণ আইফোন ৬এস প্লাসের কাছাকাছিই অভিজ্ঞতা মিলবে এবং ১০০ ডলার সাশ্রয়ও হবে নতুন আইফোন ৬এস প্লাসের পরিবর্তে আইফোন ৬ প্লাস ব্যবহারে। ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ১.২ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ১ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২৯১৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৮। আইফোন ৬-এর দাম ৬৪৯ ডলার।

১১. ওয়ান প্লাস ২

স্মার্টফোন নির্মাতা নতুন চাইনিজ প্রতিষ্ঠান ওয়ানপ্লাস। ইতিমধ্যে ওয়ান প্লাস তাদের আকর্ষণীয় কনফিগারেশনের স্মার্টফোনের মাধ্যমে সকলের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। যদি অত্যাধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ স্মার্টফোন সহজলভ্য দামের মধ্যে পেতে চান, তাহলে ওয়ান প্লাস ২ সেরা। ওয়ানপ্লাস ২ স্মার্টফোনটি বিশ্বের যে কোনো দেশের বাজারে পাওয়া যাবে না। কেননা ওয়ানপ্লাস থেকে সরাসরি অর্ডারের মাধ্যমে কেনা লাগে তাদের স্মার্টফোন। পাশাপাশি সরবরাহ সীমিত। ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ৩৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.১। ওয়ান প্লাস ২-এর দাম ৩২৯ ডলার।

১০. মটোরোলা মটো এক্স পিওর

এ বছরের অন্যতম বহুল আলোচিত ও প্রতীক্ষিত স্মার্টফোন মটোরোলার মটো এক্স পিওর মডেলটি। বলা যায় সহজলভ্য দামে সর্বোচ্চ উন্নত সুবিধা মিলবে এই স্মার্টফোনটিতে। ৫.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটিতে টার্বো পাওয়ার চার্জিং, ওয়াটার প্রটেকশন ফিচারসহ নানা সুবিধা রয়েছে। মটোরোলা মটো এক্স পিওর-এর দাম ৩৯৯.৯৯ ডলার।

৯. এইচটিসি ওয়ান এ৯

এই স্মার্টফোনটিকে বলা হচ্ছে, অ্যাপলের আইফোন ৬এসের বিকল্প। এইচটিসির নতুন এই স্মার্টফোনটির সঙ্গে আইফোন ৬ এসের বেশ কিছু সাদৃশ্য রয়েছে। ধাতব কাঠামোতে এইচটিসি ওয়ান এ৯ ফোনটিতে একক স্পিকার, গোলাকার ক্যামেরা সেটআপসহ বেশ কিছুতে আইফোনের সঙ্গে মিল রয়েছে। ৫.০ ইঞ্চি ডিসপ্লের এইচটিসির নতুন এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ২ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২১৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড মার্শাম্যালো ৬.০। এইচটিসি ওয়ান এ৯-এর দাম ৪৯৯ ডলার।

৮. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৬

একটা উন্নত ফ্লাগশিপ স্মার্টফোনের মধ্যে আপনি যা প্রত্যাশা করেন, তার সবই রয়েছে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৬ স্মার্টফোনে। অন্যতম সেরা ডিজাইনের এই স্মার্টফোনটিতে ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর প্রযুক্তি এবং স্যামসাংযের নতুন মোবাইল পেমেন্টে সিস্টেম ‘স্যামসাং পে’ রয়েছে। ৫.১ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২৫৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.০.২। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬-এর দাম ৬০০ ডলার।

৭. স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৫

স্যামসাংযের গ্যালাক্সি নোট ৫ বৃহৎ ডিসপ্লের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফোন। প্রিমিয়াম এই স্মার্টফোনটিতে এস পেন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, এনএফসি ও দ্রুতগতিতে চার্জ দেওয়ার প্রযুক্তি রয়েছে। ৫.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৪ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.১.১। স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট ৫-এর দাম ৭৪০ ডলার।

৬. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এজ

চলতি বছরে স্যামসাং অসাধারণ সব ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে এসে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তেমনই একটি সেরা স্মার্টফোন হচ্ছে গ্যালাক্সি এস৬ এজ। এটি অনেকটা গ্যালাক্সি এস৬ এর মতো হলেও, বিশেষত্ব হচ্ছে এর অসাধারণ কার্ভড স্ক্রিন। এটি বিশ্বের প্রথম দুই দিকে বাঁকানো ডিসপ্লেযুক্ত স্মার্টফোন। ৫.১ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.০.২। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এজ-এর দাম ৬০০ ডলার।

৫. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এজ প্লাস

স্যামসাংয়ের ‘গ্যালাক্সি এস৬ এজ’ সিরিজের বৃহৎ ডিসপ্লের ফোন ‘গ্যালাক্সি এস৬ এজ প্লাস’। স্যামসাংযের এ যাবত কালের তৈরি স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে সেরা স্মার্টফোন এটি। সেটটির পাশ বাঁকানো। নামের সঙ্গে ‘প্লাস’ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ এর স্ক্রিন আগের মডেলের চেয়ে বেড়েছে। ৫.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৪ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ৩০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ললিপপ ৫.১.১। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৬ এজ প্লাস-এর দাম ৮১৫ ডলার।

৪. নেক্সাস ৫এক্স

গুগলের নতুন ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন নেক্সাস ৫এক্স। এবং বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা ফোন এটি। স্মার্টফোনটিকে আইফোনের উপযুক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীও বলা যেতে পারে। আপনার যদি আইফোন কেনার ইচ্ছা না থাকে এবং বাজারের অন্যতম সেরা অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারের ইচ্ছা থাকে, তাহলে নিক্সাস ৫এক্স আপনাকে হতাশ করবে না। গুগলের পক্ষে নেক্সাস ৫এক্স স্মার্টফোনটি বাজারে এনেছে এলজি। ৫.২ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১২.৩ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২৭০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড মার্শাম্যালো ৬.০। এলজি নেক্সাস ৫এক্স-এর দাম ৩৭৯ ডলার।

৩. নেক্সাস ৬পি

গুগলের নতুন ফ্লাগশিপ স্মার্টফোন নেক্সাস ৫এক্সের তুলনায় কিছুটা উন্নত ও বড় ডিসপ্লে সুবিধাসম্পন্ন গুগলের নেক্সাস ৬পি স্মার্টফোনটি। এটিও বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা একটি ফোন। গুগলের পক্ষে নেক্সাস ৬পি স্মার্টফোনটি বাজারে এনেছে হুয়াউয়ে। ৫.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ৩ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ৩৪৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড মার্শাম্যালো ৬.০। হুয়াউয়ে নেক্সাস ৬পি-এর দাম ৪৯৯ ডলার।

২. অ্যাপল আইফোন ৬এস প্লাস

সম্প্রতি বাজারে আসা অ্যাপলের নতুন আইফোন ৬এস প্লাস হচ্ছে, বড় ডিসপ্লের স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে সর্বশ্রেষ্ঠ। দেখতে অনেকটা গত বছরের আইফোন ৬ প্লাসের মতো হলেও, নতুন আইফোন ৬এস প্লাস স্মার্টফোনটিতে বিভিন্ন নতুন ফিচার রয়েছে। এর মধ্যে থ্রিডি টাচ প্রযুক্তি উল্লেখ্য। ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ২৭৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৯। আইফোন ৬এস প্লাস-এর দাম ৭৪৯ ডলার।

১. অ্যাপল আইফোন ৬এস

সম্প্রতি বাজারে আসা অ্যাপলের নতুন আইফোন ৬এস হচ্ছে, বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত স্মার্টফোন। আইফোন ব্যবহারকারীদের সুবিধা হচ্ছে, অ্যাপ ডেভেলপাররা বরবরই সেরা অ্যাপটি সবার আগে আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্যই তৈরি করে থাকে। আর অ্যাপলের সবার চেয়ে নতুন ও সেরা প্রযুক্তি নিয়ে তো নতুন করে বলার কিছুই নেই। এ কারণেই বিশ্বব্যাপী আইফোনের এতো চাহিদা। ৪.৭ ইঞ্চি ডিসপ্লের এই স্মার্টফোনটির রিয়ার ক্যামেরা ১২ মেগাপিক্সেল এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল। রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম। ব্যাটারি ১৭১৫ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের। অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৯। আইফোন ৬এস-এর দাম ৬৪৯ ডলার।
অপরাধ সংবাদ/রা
বিশ্বের সেরা ১৮ স্মার্টফোন

ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাশবোর্ড

ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু ব্যবস্থাপনার জনপ্রিয় সফটওয়্যার ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করার সব কাজই এর ড্যাশবোর্ড থেকে করতে হয়। ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার পর ওয়ার্ডপ্রেসে ঢুকে (লগ-ইন) যে পেজটি দেখা যায়, সেটিই হলো ওয়ার্ডপ্রেসের ড্যাশবোর্ড। ড্যাশবোর্ডের বাম দিকে অনেকগুলো মেনু (অপশন) রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হোম, পোস্ট, মিডিয়া, পেজ, কমেন্টস, অ্যাপিয়ারেন্স, প্লাগইনস, ইউজার, টুলস, সেটিংস ইত্যাদি। পোস্ট অপশন থেকে নতুন পোস্ট, ক্যাটাগরি তৈরি করা, আগের তৈরি করা পোস্ট দেখা, এডিট করা, ডিলিট করার কাজ করা যায়। মিডিয়া অপশন থেকে নতুন ছবি, অডিও, ভিডিও যোগ করা, গ্যালারি তৈরি করা, আগের যোগ করা ছবি, অডিও, ভিডিও দেখা, এডিট করা, ডিলিট করার কাজগুলো করা যায়। একইভাবে কমেন্ট অপশন থেকে আগের কমেন্টগুলো দেখা, প্রয়োজনে এডিট করা, ডিলিট করা যায়।
অ্যাপিয়ারেন্স অপশন থেকে নতুন থিম যোগ করা যাবে। এ ছাড়া থিম ইনস্টল করার পাশাপাশি অ্যাকটিভ করা, ডি-অ্যাকটিভ করা, কাস্টমাইজ করা, ওয়েবসাইটের মেনু তৈরি করাসহ সম্পাদনার কাজগুলোও করা যায়। এই অপশনটি হলো ওয়ার্ডপ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। থিম হলো একটি ওয়েবসাইটের চেহারা। ওয়েবসাইটটি দেখতে কেমন হবে, তা নির্ভর করে ওয়েবসাইটের থিমের ওপর। ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে নতুন কোনো ফাংশন যোগ করার জন্য প্লাগইন ব্যবহার করা হয়। প্লাগ–ইনস অপশন থেকে নতুন প্লাগইন চাইলে যোগ করা যাবে। এ ছাড়া এডিট করা, ডিলিট করার কাজগুলোও এখান থেকে করা সম্ভব। ইউজার অপশন থেকে নতুন ইউজার যোগ করা এবং অন্য কাজগুলো করা যাবে। টুলস অপশন থেকে ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের সব ডেটা (পোস্ট, পেজ, ফাইল ইত্যাদি) এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট করা যাবে। সেটিংস অপশন থেকে করা যাবে ওয়েবসাইটের ইউআরএল (লিংক), হোম পেজ, ব্লগ পেজ, পারমালিংক ইত্যাদি এডিট করার কাজটি। ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে http://goo.gl/hXOQUI ঠিকানায়।

নতুন পেনড্রাইভ

পিএনওয়াইয়ের হুক ৩.০ মডেলের ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ বাজারে এসেছে। ধাতব মোড়কের এই পেনড্রাইভের তথ্য আদান–প্রদানের গতি ১৩ এমবি পিএস। স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের আনা ১৬ গিগাবাইট এবং ৩২ গিগাবাইট স্টোরেজের পেনড্রাইভের দাম ৭০০ এবং ১ হাজার ৫০ টাকা। বিজ্ঞপ্তি

ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি করতে চায় সরকার


তারানা হালিমসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নারীর প্রতি হয়রানি রোধে ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি করতে সরকার নতুন উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। এ জন্য বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর আজ মঙ্গলবার প্রথম বিটিআরসি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারানা হালিম বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা বা নারীর প্রতি সহিংসতার মতো যে বিষয়গুলো আসছে, তাতে বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের চুক্তির একটা সুযোগ ছিল, কিন্তু তারা সেটি করেনি। আমরা এ সুযোগটি আবার গ্রহণ করতে চাই। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ফেসবুকের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনে ডেকে এনে কিংবা চিঠির মাধ্যমে বা অনুরোধের মাধ্যমে চুক্তি করার পথ যেন প্রশস্ত হয় সে বিষয়ে অবশ্যই দৃষ্টি দিতে হবে।’
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলেন, কমিশনের স্বাধীনতা যাতে রক্ষা পায় সেটি নিশ্চিত করতে হবে। বিটিআরসিকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হলে আপনাদের সর্বোচ্চ সেবা দিতে পারব।
বাংলাদেশের কান্ট্রি কোড টপ লেভেল ডোমেইন ডট (.) বাংলা আগামী বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি চালু করার কথা জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী। অবৈধ ভিওআইপি ও নকল মোবাইল সেট আমদানি বন্ধে বিটিআরসিকে আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
এ মতবিনিময় সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শওকত মোস্তফা, বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান আহসান হাবীব খানসহ কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
FroM http://goo.gl/6H0ncC

11.16.2015

ছবি থেকেই শব্দার্থ

ইংরেজি যেকোনো শব্দের বাংলা মানে জানতে হলে সাধারণত অভিধান বা ডিকশনারিতে শব্দটি লিখে বা খুঁজে নিয়ে জানতে হয়। যদি জানা-অজানা কোনো বস্তু বা জিনিসের ছবি তুলে নিলেই তৎক্ষণাৎ সেটির অর্থ জানা যায়, তবে কেমন হয়? হ্যাঁ! যা দেখছেন, তার ছবি তুলে সেটি সম্পর্কে বিশদভাবে জানার জন্য ব্রিটিশ কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছে ভিজ্যুয়াল ডিকশনারি নামের একটি অ্যাপ। এটি আইফোন বা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম-চালিত স্মার্টফোনে ব্যবহার করা যাবে।
এই অ্যাপ দিয়ে আপনার চারপাশের যেকোনো বস্তুর ছবি তুলে নিয়ে সেই বস্তুর নাম এবং সেই শব্দের অর্থ জানতে পারবেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে। অ্যাপটি ফোনে ইনস্টল করে নিতে হবে। প্রথমবার চালু করার সময় Your Name-এর ঘরে আপনার নাম এবং Country-এর ঘরে দেশ নির্বাচন করুন। এরপর Agree To The Terms And Conditions সক্রিয় করে Submit চাপতে হবে।
এবার অ্যাপ সম্পর্কে হালকা বর্ণনা দিতে থাকবে। নতুন পাতায় ক্যামেরার আইকন পাবেন। সেই আইকনে আঙুল চেপে যে বস্তু সম্পর্কে জানতে চান, সেটির ছবি তুলুন এবং নিচে ডানে থাকা Use Photo চাপুন। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে সেই ছবি, অর্থাৎ বস্তু-সম্পর্কিত দুই-তিনটি শব্দ আসবে। এগুলোর প্রতিটিতে চাপলে শব্দের অর্থ ও তথ্য আসবে। চাইলে সেই শব্দের উচ্চারণও শুনতে পারবেন।

ওত পেতে আছে হ্যাকার

 
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতা ও সতর্ক থাকা জরুরি l প্রজন্ম ডটকমঘটনা এক
সপ্তাহ খানেক আগে এক সন্ধ্যায় ল্যাপটপ খুলে ফেসবুকে ঢুঁ মারছি। এমন সময়, হঠাৎ পরিচিত এক ছোট বোনের বার্তা এল। একটি ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে সে অনুরোধ করেছে, আমি যেন সেখানে গিয়ে তার ছবিতে একটা লাইক দিই। ভালো কথা, সেরা ছবি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অভিজ্ঞতা তো নতুন নয়। কিন্তু, সেই লিংকে ক্লিক করতেই ছবি না এসে ফেসবুকের মতো একটা পেজ এল, যেখানে আবার ই-মেইল ঠিকানা ও পাসওয়ার্ড লিখে লগ-ইন করতে বলা হলো। এই জায়গাটায় এসে খটকা লাগল। কারণ, ফেসবুকের কোনো ‘অ্যাপ’-এর জন্য কোনো অনুমতি লাগলে শুধু সম্মতি (অ্যালাউ) দিলেই হয়, নতুন করে লগ-ইন করতে হয় না।
মেয়েটি আমাকে সাধারণত ‘আপনি’ করে সম্বোধন করে। কিন্তু সাড়া না পেয়ে এর কিছুক্ষণ পর আরেক বার্তায় মেয়েটি আমাকে সরাসরি ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করে একটা সাহায্য চাইল। খুব করুণ ভাষায় সে জানাল, এই মুহূর্তে তার কমপক্ষে দুই হাজার টাকার খুব দরকার, বেশি হলে ভালো হয়। ওর মায়ের অসুখ। আগামীকাল সকালেই নাকি আবার ফেরত দিয়ে দেবে। এবার নিশ্চিত হওয়া গেল যে পরিচিতি অর্থাৎ আইডি হ্যাক করা হয়েছে। যেহেতু মেয়েটির সঙ্গে আমার তেমন একটা বার্তা আদান-প্রদান হয়নি, তাই হ্যাকার স্বাভাবিকভাবে ধরে নিয়েছে আমাদের মাঝে ‘তুমি’র সম্পর্ক। ‘কীভাবে পাঠাব?’ জানতে চাইলে সে একটি ব্যক্তিগত বিকাশ অ্যাকাউন্ট নম্বর দিল। ফাঁদে পা দিলাম না। তাঁর মোবাইল নম্বর নেই বলে দুজনেরই বন্ধু (মিউচুয়াল ফ্রেন্ড) এমন দুজনের মাধ্যমে মেয়েটিকে বিষয়টি জানানোর চেষ্টা করলাম।
ঘটনা দুই
যে কলেজে পড়েছি, সেই কলেজের এক বড় ভাই (বর্তমানে দন্ত চিকিৎসক) অসীম দাসের ফেসবুক আইডি থেকে মেসেজ দিয়ে দিনেদুপুরে টাকা চাওয়া হলো। ধরনটা প্রায় একই রকম। ছোট ভাইয়ের জন্য টাকার দরকার। ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর দেওয়া হলো। পরদিনই নাকি ফেরত দেবে। পূর্ব অভিজ্ঞতার কারণে অনুমান করলাম এই ফেসবুকে অ্যাকাউন্টটিও হ্যাকড হয়েছে। বিষয়টি অ্যাকাউন্টের আসল মালিককে ফোন করলাম। তিনি ইতিমধ্যেই তা জেনেছেন বলে জানালেন। বললেন, তিনি যখন বন্ধুতালিকার সবাইকে সতর্ক করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন, ততক্ষণে নাকি তাঁর দুই বড় ভাই ফাঁদে পা দিয়ে ‘ছোট ভাই’য়ের অনুরোধে ইতিমধ্যেই চার হাজার টাকা বিকাশ করে দিয়েছেন!
হ্যাকিং প্রতিরোধে করণীয়
এই ধরনের বিব্রতকর ও বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়তে না চাইলে প্রথমেই অক্ষর ও সংখ্যা দিয়ে বৈচিত্র্যময় শক্ত একটি পাসওয়ার্ড দিন। দুই-তিন মাস পরপর এই অক্ষর ও সংখ্যাগুলো পুনর্বিন্যাস করে নতুন পাসওয়ার্ড দিন। এতে মনে রাখা সহজ হবে। একেবারেই মনে না থাকলে গোপন কোথাও লিখে রাখুন। হ্যাকাররা সাধারণত ফেসবুক আইডির সঙ্গে সঙ্গে যে ই-মেইল আইডি দিয়ে সেটা খুলেছেন, সেটাও হ্যাক করে থাকে, যাতে সোজা পথে আইডি ফিরে পাওয়া (রিকভারি) না যায়। তাই ই-মেইল আইডির পাসওয়ার্ডটাও শক্ত হওয়া চাই, তবে তা ফেসবুকেরটা না হলেই ভালো।
হ্যাকড হয়েই যায় যদি
এত সতর্কতার পরেও যদি আপনার আইডি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়, তবে এই অ্যাকাউন্টটি মুছে দেওয়াই ভালো। প্রথমেই নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন। কারণ, হ্যাকার আপনার নাম-পরিচয় ব্যবহার করে জঙ্গিবাদ, অশ্লীলতা, সাম্প্রদায়িক উসকানি ইত্যাদি ছড়াতে পারে, যার জন্য আপনি বিপদে পড়তে পারেন। টাকা চাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন। এরপর বন্ধুদের বলুন আইডিটার বিরুদ্ধে ‘ফেইক’ উল্লেখ করে ‘রিপোর্ট’ করতে। আপনি নিজেও আরেকটি আইডি খুলে হ্যাকড হওয়া অ্যাকাউন্টটির বিরুদ্ধে ‘প্রিটেন্ডিং টু বি মি’ বলে রিপোর্ট করুন। অনেকে মিলে রিপোর্ট করলে এবং অভিযোগের সত্যতা পেলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেবে অথবা আপনাকে ফিরিয়ে দেবে।

অফিস-বাসা দুটোই সামলাবে রোবট


রিরা রোবটঅফিসে বস এখনো পৌঁছাতে পারেননি। এদিকে কিছুক্ষণ পরেই জরুরি সভা শুরু হবে। সহকর্মীরা কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। বস ছাড়া তো শুরুও করা যাচ্ছে না! অগত্যা অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় কী! এমন সময়ে হঠাৎ ঘরে এসে ঢুকল ছোট্ট একটি রোবট। সবাইকে অবাক করে দিয়ে সময়মতো সভাও শুরু হয়ে গেল। পাঠক, ভাববেন না, রোবট আজকাল অফিস নিয়ন্ত্রণ করার কাজটি শুরু করেছে। সভায় কিন্তু বসই উপস্থিত ছিলেন। ‘রিরা’ নামের ওই রোবটের মাধ্যমে অফিস-প্রধান সামলে নিয়েছেন তাঁর কাজকর্ম।
গত দেড় বছরের চেষ্টায় ‘প্ল্যানেটার লিমিটেড’-এর বাণিজ্যিকভাবে তৈরি হয়েছে রিরা নামের এই রোবট। একে বলা হচ্ছে টেলিপ্রেজেন্স রোবট। মানে দূর থেকেই ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করবে এ রোবটটি। মুঠোফোনের ইন্টারনেট দিয়ে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায় খুব সহজেই! রিরার পর্দায় আপনাকে যেমন অন্যরা দেখতে পাবেন, তেমনি আপনিও পাবেন অন্যদের দেখা। অনেকটা মুঠোফোনে ভিডিও কলের মতো। তবে এই পদ্ধতির সঙ্গে রিরার পার্থক্য হলো, এটা হাতে নিয়ে ঘুরতে হবে না। যে কেউ দেশের বাইরে থেকেও এটিকে সব জায়গায় ঘোরাতে পারবেন! প্ল্যানেটর লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী রিনি ঈশান বলেন, ‘যেখানে আলাদা জায়গায় সিসি ক্যামেরা লাগাতে হয়, সেখানে রিরা সব জায়গায় চলাচল করতে পারে।’
কর্মজীবী একজন মায়ের প্রায় আট-নয় ঘণ্টা কেটে যায় অফিসেই। এর মধ্যে বাসায় রেখে আসা বাচ্চাটার জন্য চিন্তা কি কম? ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করল কি না, ঘুমাল কি না—সবকিছুই খেয়াল রাখতে হয়। রিরাকে ব্যবহার করে বাচ্চার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি, বাচ্চার দেখভালও করতে পারবেন। প্ল্যানেটরের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা রাকিব রেজা জানালেন, কল-কারখানা, বড় বড় দোকান-শপিং মলেও ব্যবহার করা যাবে এই রোবটকে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রিনি ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের রাকিব ২০১০ সাল থেকে কাজ করছেন রোবট নিয়ে। এর মধ্যেই তাঁরা গড়ে তোলেন প্ল্যানেটর লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটি। ২০১১ সালের আন্তবিশ্ববিদ্যালয় রোবটিক প্রতিযোগিতায় ২৪টি দলের মধ্যে রাকিব তৃতীয় ও রিনি চতুর্থ স্থান লাভ করেন। এরপর ২০১৩ সালে রিনি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার রোবট তৈরির প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
রিরাকে তৈরি রোবটের কারিগর প্রকৌশলী দম্পতি রিনি ও রাকিবের তৃতীয় প্রয়াস। সঙ্গে ছিলেন বন্ধু কায়সার রায়হান। এর আগেও দুইবার বাণিজ্যিকভাবে এটিকে তৈরি করেছিলেন তাঁরা। প্রথমবার বানিয়েছিলেন দেশীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। কিন্তু সেগুলোর মান ভালো না হওয়ায় তাঁরা রোবটের ওয়ারেন্টি দিতে পারছিলেন না। এবার দেশের বাইরে আমেরিকা, হংকং, চায়না দুই নির্মাতা রাকিব ও রিনি  l ছবি: সংগৃহীতও মালয়েশিয়া থেকে যন্ত্রপাতি আনিয়ে তৈরি করা হয়েছে রোবটটি। রিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল ২০১৫ সালের মধ্যে রিরাকে বাজারে আনব। আর এটি দেশের মানুষের সাধ্যের মধ্যে যেন থাকে, সেই চেষ্টাই আমরা করছি।’ পশ্চিমা দেশগুলোতে এখন হরহামেশাই রিরার মতো রোবটের ব্যবহার হচ্ছে। সেগুলোর দাম ২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারের মতো। সেখানে রিনি ও রাকিব জানান, রোবটটিকে এখন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকায় যে কেউ কিনতে পারবেন।
ইতিমধ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই রোবট নেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে চুক্তি করেছে। এ ছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তাঁর বাসার জন্য রিরা কিনছেন বলে জানান রিনি ও রাকিব।
রিরা রোবটঅফিসে বস এখনো পৌঁছাতে পারেননি। এদিকে কিছুক্ষণ পরেই জরুরি সভা শুরু হবে। সহকর্মীরা কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। বস ছাড়া তো শুরুও করা যাচ্ছে না! অগত্যা অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় কী! এমন সময়ে হঠাৎ ঘরে এসে ঢুকল ছোট্ট একটি রোবট। সবাইকে অবাক করে দিয়ে সময়মতো সভাও শুরু হয়ে গেল। পাঠক, ভাববেন না, রোবট আজকাল অফিস নিয়ন্ত্রণ করার কাজটি শুরু করেছে। সভায় কিন্তু বসই উপস্থিত ছিলেন। ‘রিরা’ নামের ওই রোবটের মাধ্যমে অফিস-প্রধান সামলে নিয়েছেন তাঁর কাজকর্ম।
গত দেড় বছরের চেষ্টায় ‘প্ল্যানেটার লিমিটেড’-এর বাণিজ্যিকভাবে তৈরি হয়েছে রিরা নামের এই রোবট। একে বলা হচ্ছে টেলিপ্রেজেন্স রোবট। মানে দূর থেকেই ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করবে এ রোবটটি। মুঠোফোনের ইন্টারনেট দিয়ে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায় খুব সহজেই! রিরার পর্দায় আপনাকে যেমন অন্যরা দেখতে পাবেন, তেমনি আপনিও পাবেন অন্যদের দেখা। অনেকটা মুঠোফোনে ভিডিও কলের মতো। তবে এই পদ্ধতির সঙ্গে রিরার পার্থক্য হলো, এটা হাতে নিয়ে ঘুরতে হবে না। যে কেউ দেশের বাইরে থেকেও এটিকে সব জায়গায় ঘোরাতে পারবেন! প্ল্যানেটর লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী রিনি ঈশান বলেন, ‘যেখানে আলাদা জায়গায় সিসি ক্যামেরা লাগাতে হয়, সেখানে রিরা সব জায়গায় চলাচল করতে পারে।’
কর্মজীবী একজন মায়ের প্রায় আট-নয় ঘণ্টা কেটে যায় অফিসেই। এর মধ্যে বাসায় রেখে আসা বাচ্চাটার জন্য চিন্তা কি কম? ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করল কি না, ঘুমাল কি না—সবকিছুই খেয়াল রাখতে হয়। রিরাকে ব্যবহার করে বাচ্চার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি, বাচ্চার দেখভালও করতে পারবেন। প্ল্যানেটরের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা রাকিব রেজা জানালেন, কল-কারখানা, বড় বড় দোকান-শপিং মলেও ব্যবহার করা যাবে এই রোবটকে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রিনি ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের রাকিব ২০১০ সাল থেকে কাজ করছেন রোবট নিয়ে। এর মধ্যেই তাঁরা গড়ে তোলেন প্ল্যানেটর লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটি। ২০১১ সালের আন্তবিশ্ববিদ্যালয় রোবটিক প্রতিযোগিতায় ২৪টি দলের মধ্যে রাকিব তৃতীয় ও রিনি চতুর্থ স্থান লাভ করেন। এরপর ২০১৩ সালে রিনি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার রোবট তৈরির প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
রিরাকে তৈরি রোবটের কারিগর প্রকৌশলী দম্পতি রিনি ও রাকিবের তৃতীয় প্রয়াস। সঙ্গে ছিলেন বন্ধু কায়সার রায়হান। এর আগেও দুইবার বাণিজ্যিকভাবে এটিকে তৈরি করেছিলেন তাঁরা। প্রথমবার বানিয়েছিলেন দেশীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। কিন্তু সেগুলোর মান ভালো না হওয়ায় তাঁরা রোবটের ওয়ারেন্টি দিতে পারছিলেন না। এবার দেশের বাইরে আমেরিকা, হংকং, চায়না দুই নির্মাতা রাকিব ও রিনি  l ছবি: সংগৃহীতও মালয়েশিয়া থেকে যন্ত্রপাতি আনিয়ে তৈরি করা হয়েছে রোবটটি। রিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল ২০১৫ সালের মধ্যে রিরাকে বাজারে আনব। আর এটি দেশের মানুষের সাধ্যের মধ্যে যেন থাকে, সেই চেষ্টাই আমরা করছি।’ পশ্চিমা দেশগুলোতে এখন হরহামেশাই রিরার মতো রোবটের ব্যবহার হচ্ছে। সেগুলোর দাম ২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলারের মতো। সেখানে রিনি ও রাকিব জানান, রোবটটিকে এখন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকায় যে কেউ কিনতে পারবেন।
ইতিমধ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই রোবট নেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে চুক্তি করেছে। এ ছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তাঁর বাসার জন্য রিরা কিনছেন বলে জানান রিনি ও রাকিব।
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট। মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at: http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট। মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at: http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট। মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at: http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট। মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at: http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট। মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at: http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf

11.15.2015

শুরু হচ্ছে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা এসিএম-আইসিপিসি ২০১৫

এসিএম-আইসিপিসির লোগোআজ শুক্রবার থেকে বসুন্ধরার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে শুরু হচ্ছে এসিএম-আইসিপিসি ২০১৫ এশিয়া রিজওনাল ঢাকা সাইটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এসিএম আন্তর্জাতিক কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এসিএম-আইসিপিসি বা আইসিপিসি) হলো একাধিক ধাপবিশিষ্ট বার্ষিক প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, যা সারা বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। এশিয়ায় ১৩টি সাইটে এই প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয় এবং ঢাকা সাইট এর মধ্যে অন্যতম। ঢাকা সাইটের প্রতিবছরের বিজয়ীরা ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশগ্রহণ করেন। অন্যান্য সাইটের মতো ঢাকা সাইটও আইবিএম আয়োজন করে থাকে এবং এসিএমের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়।
এবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী ও সভাপতিত্ব করবেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য গৌর গোবিন্দ গোস্বামী।
এসিএম-আইসিপিসি ২০১৫-এর সহযোগী পরিচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বাংলাদেশে এটি ১৮তম অনুষ্ঠান। ১৯৯৭ সালে এটি শুরু হয় বাংলাদেশে। ১২তম বারের মতো এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি। অন্যবারের চেয়ে এবারে প্রতিযোগীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আমরা চেষ্টা করছি, প্রতিবছরের ওয়ার্ল্ড ফাইনালিস্টদের একসঙ্গে করে একটি অনুষ্ঠান করার।
মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজভিত্তিক ৯৮৫টি দল এবারে প্রাথমিক বাছাইপর্বে অংশ নিয়েছিল। ৭৫টি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁরা অংশ নেন। প্রথমে অনলাইনে পরীক্ষার মাধ্যমে অংশ নেন তাঁরা। প্রতিটি দলে তিনজন করে অংশ নিতে হয়, ফলে ২ হাজার ৯৫৫ জন প্রতিযোগী প্রাথমিক বাছাইয়ে অংশ নেন। প্রাথমিক বাছাই পর্ব থেকে যে ১২০টি টিম নির্বাচন করা হয়েছে তাঁরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সরাসরি প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন। প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা হবে ১৪ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত। বিকেলে ফল ঘোষণা করা হবে। আজ ১৩ তারিখে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে এ প্রতিযোগিতার।
প্রতিযোগিতায় যাঁরা চ্যাম্পিয়ন ও প্রথম রানার হবেন, তাঁরা আগামী বছর থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশ নেবেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাঁরা ভালো করবেন, এ রকম আরও দলকে পুরস্কারের ব্যবস্থা করবেন আয়োজকেরা।
এবারের আয়োজনে মেয়েদের বিশেষ দলকে নির্বাচন করা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও রুয়েটের তিনটি দল এবারে প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে।
অনুষ্ঠান শুরু হবে বিকেল চারটায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত।
১৪ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। ওই দিন সকালে অনুষ্ঠিত হবে ‘আইসিটি ফর ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি সেমিনার। এতে সভাপতিত্ব করবেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্সের ডিন সিরাজুল ইসলাম। বিকেলে এসিএম-আইসিপিসি ২০১৫ এশিয়া রিজওনাল ঢাকা সাইটের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক আহসান হাবিব মনসুর

নতুন প্রিন্টার

রংটা ব্র্যান্ডের আরপি ৮০ মডেলের পিওএস প্রিন্টার বাজারে এসেছে। প্রিন্টারটি প্রতি সেকেন্ডে ২৫০ মিলিমিটার প্রিন্ট করতে পারে। দ্রুতগতিতে ছবি প্রিন্ট করা যায় এ প্রিন্টারে। কম্পিউটার সিটি টেকনোলজিস লিমিটেডের আনা প্রিন্টারটির দাম ৯ হাজার টাকা। l বিজ্ঞপ্তি

স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে ফেসবুকের বার্তা!

ফেসবুক গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে ফ্রান্সে বার্তা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন একটি ফিচার নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে। এই ফিচারটির মাধ্যমে ফেসবুকে বার্তা পাঠানো হলে তা নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। বার্তা আদান-প্রদানের সফটওয়্যার স্ন্যাপচ্যাটের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতেই নতুন এই ফিচারটি উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা।

বার্তা সংস্থা এএফপিকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, ফ্রান্সে আমরা একটি ছোট পরীক্ষা চালাচ্ছি। নতুন ফিচারটির মাধ্যমে বার্তা পাঠানোর পর এক ঘণ্টার মধ্যে তা মুছে যাবে। ফেসবুকের মেসেঞ্জারে এ সেবাটি যুক্ত হলে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও মজার কিছু সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারীরা। মেসেঞ্জারে একটি বালিঘড়ি আইকনে ক্লিক করে এ বার্তা পাঠানো যাবে। যে বার্তা পাঠানো হবে তা এক ঘণ্টা পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে।

মেসেঞ্জারের অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস সংস্করণে এটি পরীক্ষা করে দেখছে ফেসবুক। সফল হলে শিগগিরই অন্য দেশগুলোতে এটি চালু করা হবে।

স্ন্যাপচ্যাটকে টেক্কা দিতে এ সুবিধাটি চালু করতে যাচ্ছে ফেসবুক। ২০১৩ সালে ৩০০ কোটি মার্কিন ডলারে স্ন্যাপচ্যাটকে কিনতে চেয়েছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। কিন্তু স্ন্যাপচ্যাট কর্তৃপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি।

অ্যাপলকে টেক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে গুগল

গুগলের নেক্সাস ফোনআইফোন নির্মাতা অ্যাপলকে ঠেকাতে গুগলও সরাসরি ফোনের ব্যবসায় নেমে পড়তে পারে। সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ফোন তৈরি করে বিক্রি করার চেয়ে গুগল কর্তৃপক্ষ নিজস্ব ফোন তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
দ্য ইনফরমেশনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, স্মার্টফোনের বাজারে অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে এবং অ্যাপলকে টেক্কা দিতে নিজস্ব অ্যান্ড্রয়েড ফোন তৈরি করতে পারে গুগল। নিজস্ব অ্যান্ড্রয়েড ফোন তৈরির কথা ভাবছে গুগল কর্তৃপক্ষ।
গুগল অবশ্য বর্তমানে নেক্সাস নামের ফোনগুলো নিজেরা নকশা করা থেকে মার্কেটিং ও বিক্রি পর্যন্ত করে। এ ফোনগুলো তৈরি ও সংযোজন করে গুগলের অরিজিনাল ইকুইপমেন্ট মেকার বা ওইএম সহযোগীরা।
গুগলের অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার ছাড়াও সব হালনাগাদ নেক্সাস ফোনগুলোতে আগে আসে। নেক্সাস ফোন তৈরিতে গুগল বর্তমানে এইচটিসি, স্যামসাং, এলজি, মটোরোলা ও হুয়াউয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছে।
গুগল ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য ইনফরমেশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গুগল স্মার্টফোনের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এ জন্য গুগলের স্মার্টফোন বিভাগের কর্মকর্তারা নিজস্ব স্মার্টফোন তৈরি বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছেন।
গুগলের হাতে অবশ্য নিজস্ব স্মার্টফোন তৈরির অনেক উপকরণ রয়েছে। ২০১২ সালে মটোরোলাকে কিনেছিল গুগল। ২০১৪ সালে লেনোভোর কাছে মটোরোলাকে বিক্রি করে দেওয়ার সময় মটোরোলার স্মার্টফোন সংক্রান্ত পেটেন্টগুলো হাতে রেখেছে গুগল

কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় লাগছে?

কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় নিলে ধরে নেওয়া যায় অনেক বেশি প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়া বা ‘স্টার্টআপ আইটেম’ হিসেবে সক্রিয় হয়ে আছে। এ ব্যাপারটা খুবই সাধারণ। কম্পিউটার ব্যবহারে ধীরে ধীরে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইনস্টলের ফলে স্টার্টআপ তালিকায় এসব ঢুকে পড়ে। ফলে কম্পিউটার যখন চালু হয়, স্বাভাবিকভাবেই সেসব প্রোগ্রামও একই সঙ্গে চালু হতে থাকে। ফলে কম্পিউটার চালু হয়ে পুরোপুরি কাজের উপযুক্ত হতে হতে সময় চলে যায় অনেকটা। বিষয়টি তাই একটু বিরক্তিকরও বটে। এসব ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু বিষয় অনুসরণ করে কম্পিউটার চালুর ক্ষেত্রে সময় কমিয়ে আনা সম্ভব। এ সমস্যায় বর্তমানে অনেকেই পড়েন। কম্পিউটারের গতি কমে যাবে বলে অবশ্য নতুন কোনো সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনস্টল করা বন্ধ করাটাও কোন সমাধান নয়। মোটেই না বরং নিশ্চিত করতে এসব সফটওয়্যার প্রয়োজন ছাড়া যেন সব সময় চলতে না পারে। এতে কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যাবে।
কোন প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয় তালিকায় থাকতে পারে?
কম্পিউটারে কিছু প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয় ভাবেই থাকে। এর মধ্যে উল্লেলেখযোগ্য অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম, ফায়ারওয়াল বা নিরাপত্তা অ্যাপ, বাংলা লেখার সফটওয়্যার, সিস্টেম বা ব্যাটারি তদারকির প্রোগ্রাম, বার্তা আদান-প্রদানের সফটওয়্যার (যেমন স্কাইপ), ক্লাউডভিত্তিক অ্যাপ (যেমন ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ) ইত্যাদি। কীভাবে এগুলো বন্ধ করবেন? Windows Key+R চেপে রান চালু করে তাতে লিখুন msconfig এবং ওকে করুন। সিস্টেম কনফিগারেশন উইন্ডো চালু হলে ওপরের স্টার্টআপ ট্যাব নির্বাচন করুন। যেসব প্রোগ্রাম কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজে থেকেই চালু হয়ে যায় তার একটা তালিকা এখানে পাবেন। অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রামগুলো স্টার্টআপ আইটেমের তালিকা থেকে টিক উঠিয়ে দিয়ে ওকে করুন।
কীভাবে বুঝবেন কোনটি অপ্রয়োজনীয়?
অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামটি রাখতে পারেন, গ্রাফিকস বা অন্য কোনো প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার যেটি কম্পিউটার চালুর সঙ্গে সঙ্গেই আপনার প্রয়োজন সেটা রেখে দিতে পারেন, বাকিগুলো বাদ দিন। ওকে করার পর কম্পিউটার বন্ধ করে পুনরায় চালুর (রিস্টার্ট) একটি বার্তা পাবেন। কম্পিউটার পুনরায় চালু করেন (রিস্টার্ট)। এভাবে সিস্টেম থেকে স্টার্টআপ আইটেম কমিয়ে কম্পিউটার চালুর সময়টা কমিয়ে আনতে পারেন। তবে সবচেয়ে ভালো হয়, কোনো সফটওয়্যার ইনস্টল করার পর সেটির প্রোপার্টিজে ঢুকে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় নিজে থেকে চালু হওয়ার অপশনটি বন্ধ করে দিলে। যেমন স্কাইপ যদি ইনস্টল করা থাকে তাহলে টুলস মেনু থেকে অপশন, তারপর স্টার্ট স্কাইপ হোয়েন আই স্টার্ট উইন্ডোজ অপশনটি থেকে টিক উঠিয়ে দিন। এভাবে নির্দিষ্ট স্বয়ংক্রিয় অপশনগুলো প্রোগ্রামগুলো থেকে বাদ দিলে পরবর্তী সময়ে আবার স্টার্টআপ আইটেমে যোগ হবে না।

11.14.2015

ওবামাও ‘লাইক’ পাগল!


বারাক ওবামা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা চান ভক্তরা তাঁকে ‘লাইক’ দিন, তাঁকে নিয়ে মন্তব্য করুন এবং তাঁর পোস্টের ভাগীদার হন। এ কারণে গতকাল সোমবার নিজের একটি ফেসবুক পেজ খুলেছেন তিনি। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট ওবামা, পাবলিক ফিগার’। সিএনএন ও দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে এ কথা জানানো হয়।
অনেক দিন ধরেই ওবামার টুইটার অ্যাকাউন্ট আছে। ‘বারাক ওবামা, পলিটিশিয়ান’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চালাচ্ছেন তাঁর রাজনৈতিক প্রচারকেরা। তা শুধু তার রাজনৈতিক বিভিন্ন প্রচারের কাজে ব্যবহার করা হয়। তিনি এবার রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নয়, ব্যক্তি ওবামা হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে থাকতে চান। এ জন্য ফেসবুকে তিনি এই অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। পেজটি সোমবার চালু হওয়ার তিন ঘণ্টার মধ্যেই দুই লাখ ‘লাইক’ পেয়ে গেছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কমেন্টস আসে ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের কাছ থেকে। এতে তিনি ওবামাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ফেসবুকের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা শেরিল স্যান্ডবার্গও ধন্যবাদ জানিয়ে মন্তব্য করেছেন। সর্বশেষ (সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত) ওই পেজে ছয় লাখ ৭৯ হাজার ৯৮৬ ‘লাইক’ পড়েছে।
এই পেজে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন বারাক ওবামা। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হোয়াইট হাইসের পেছনের দিকে তিনি হাঁটছেন, ঘুরে দেখছেন ‘লিংকন’ নামে তাঁর বাজপাখি ও অন্য প্রাণীদের। জলবায়ু পরিবর্তনের যুদ্ধে অংশ নিতে আহ্বান জানিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ওবামা এক বার্তায় বলেন, ‘আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীটাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করুন।’
সাধারণ মানুষ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে ওবামা আত্মজীবনীতে নিজেকে ‘বাবা, স্বামী ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী, এই পেজের মেসেজ ও কমেন্টস সংরক্ষণ করা হতে পারে বলে পেজটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফায়ারফক্সে ট্যাব ডুপ্লিকেট করুন

জনপ্রিয় ইন্টারনেটর ব্রাউজার মজিলা ফায়ারফক্সে আমরা অনেকেই ব্যবহার করে থাকি। এর একটা সুবিধা হচ্ছে মাল্টিট্যাব সুবিধা। অনেক সময় খুলে রাখা একটি ট্যাবের সাইটি ডুপ্লিকেট করার প্রয়োজন পরে তখন নতুন ট্যাব খুলে উক্ত সাইটের ঠিকানা কপি করে এনে পেষ্ট করতে হয়। আবার অনেকে ডুপ্লিকেট এ্যাডইন ব্যবহার করে থাকে। তবে আপনি ঝামেলা ছাড়ায় এক ক্লিকেই যেকোন ট্যাবকে ডুপ্লিকেট করতে পারেন। এজন্য কন্ট্রোল কী (Ctrl) চেপে ধরে যে ট্যাবকে ডুপ্লিকেট করতে চান সেটিতে ক্লিক করে ড্রাগ করে এনে শেষ ট্যাবের শেষে এনে ছেড়ে দিন। তাহলে উক্ত ট্যাবের হুবহু কপি হবে। এছাড়াও যে ট্যাবকে ডুপ্লিকেট করতে চান সেই ট্যাবে থেকে এড্রেসবারের বামের আইকন ড্রাগ করে এনে শেষ ট্যাবের শেষে এনে ছেড়ে দিলেও হবে। আর কোন ওয়েব লিংকে ক্লিক করে ড্রাগ করে এনে শেষ ট্যাবের শেষে এনে ছেড়ে দিলে নতুন ট্যাবে উক্ত সাইট খুলবে।

ফায়ারফক্সের অজানা কিছু গোপন ফীচার । আপনি জানেন তো ?

তাহলে  শুরু করি । আমরা যারা নেটে ব্রাউজ করি তাদের বেশিরভাগই ব্রাউজার হিসাবে মজিলা ফায়ারফক্স ই ব্যাবহার করি । তবে নেট ব্রাউজ করে কিন্তু ফায়ারফক্সের নাম শোনেনি এমন কাউকে মাইক্রোস্কোপ দিয়ে খুজলেও খুজে পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে  :roll:  ।
ফায়ারফক্স ব্যাবহার করলেও এর অনেক হিডেন ফিচার আছে  যে গুলো অনেকেরই অজানা । চলুন দেখে নেই তেমনই কয়েকটি হিডেন ফিচার ।
১। মিডল মাউস পেস্টঃ আমরা যারা মাউস ব্যাবহার করি তাদের জন্য খুব মজার একটি ফিচার এটি । এঁর সাহায্যে আপনি ফায়ারফক্স এর উইন্ডো থেকে কোন টেক্স কপি করে মিডল মাউসে ক্লিক করে সহজেই পেস্ট করতে পারবেন ।  ধরুন , আপনি বিডিনিউজ২৪ ডট কমের একটি নিউজ কপি করে আপনার ফেসবুক ওয়ালে পেস্ট করবেন । পেস্ট করার সময় আপনি শুধু মাউসের চাকায় ক্লিক করেই পেস্ট করতে পারবেন ।
এজন্য যা করতে হবে । প্রথমে একটি নতুন ট্যাব ওপেন করে about:config লিখে Enter চাপুন । এরপর I'll be careful, I promise!  লেখা দেখতে পাবেন । সেখানে ক্লিক করুন । এখন একটি search বার দেখতে পাবেন । সেখানে  paste  লিখুন ।
এখন   middlemouse.paste নামক একটি লেখা দেখতে পাবেন । লেখাটিতে ডাবল ক্লিক করুন । দেখতে পাবেন value  false থেকে true হয়ে গেছে । ব্যাস এবার আপনি মিডল মাউসে ক্লিক করে পেস্ট করতে পারবেন  😀


২। লেফট ক্লিক কনটেক্স মেনুঃ   এই ফিচাটির মাধ্যমে আপনি রাইট-ক্লিক মেনু লেফট ক্লিকের মাধ্যমেই বের করতে পারবেন । এজন্য লেফট ক্লিক বাটন ক্লিক করার পর চেপে ধরে  ১-২ সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে । যেমন , টেকটিউনসের একটি টিউন আপনি একটি নতুন ট্যাবে ওপেন করতে চাচ্ছেন । এজন্য আপনাকে টিউনটির লিঙ্কে রাইট-ক্লিক করে contex menu তে open link in new tab এ ক্লিক করতে হবে । কিন্তু এই ফিচার টি ব্যাবহার করে আপনি লেফট ক্লিকের মাধ্যমেই contex menu  ওপেন করতে পারবেন । কেবল কোন লিঙ্কে ক্লিক করে ১-২ অপেক্ষা করলেই কনটেক্স মেনু (রাইট-ক্লিক মেনু ) ওপেন করতে পারবেন ।
এজন্য যা করতে হবে । প্রথমে একটি নতুন ট্যাব ওপেন করে about:config লিখে Enter চাপুন । এরপর I'll be careful, I promise!  লেখা দেখতে পাবেন । সেখানে ক্লিক করুন । এখন একটি search বার দেখতে পাবেন । সেখানে   context_menus  লিখুন ।
এখন  ui.click_hold_context_menus নামক একটি লেখা দেখতে পাবেন । লেখাটিতে ডাবল ক্লিক করুন । দেখতে পাবেন value  false থেকে true হয়ে গেছে । ব্যাস এবার আপনি লেস্ট ক্লিক করে ১-২ সেকেন্ড লেফট বাটন চেপে ধরলেই  কনটেক্স মেনু ওপেন হবে  😀

৩। ইনস্ট্যান্ট অ্যাপ্লাইঃ আপনি যদি কোন preferences  পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনাকে options এ যেতে হবে এবং options এর জন্য একটি নতুন window ওপেন হবে । আপনি যদি কোন কিছু পরিবর্তন করেন তাহলে  কি পরিবর্তন করলেন তা আপনি সাথে সাথে দেখতে পাবেন না । এজন্য আপনাকে আগে options window এর ok বাটনে ক্লিক করতে হবে । ধরুন আপনি options মেনুতে গিয়ে হোমপেজ পরিবর্তন করলেন । কিন্তু আপনি কি পরিবর্তন করলেন সেটা আপনি তাৎক্ষণিক দেখতে পাবেন না । এজন্য আপনাকে আগে options মেনুর ok তে  ক্লিক করতে হবে । এই ফিচারটির মাধ্যমে আপনি ok তে ক্লিক না করেই কি পরিবর্তন করলেন সেটা দেখতে পাবেন ।
এজন্য যা করতে হবে । প্রথমে একটি নতুন ট্যাব ওপেন করে about:config লিখে Enter চাপুন । এরপর I'll be careful, I promise!  লেখা দেখতে পাবেন । সেখানে ক্লিক করুন । এখন একটি search বার দেখতে পাবেন । সেখানে   instant  লিখুন ।
এখন  browser.preferences.instantApply নামক একটি লেখা দেখতে পাবেন । লেখাটিতে ডাবল ক্লিক করুন । দেখতে পাবেন value  false থেকে true হয়ে গেছে । ব্যাস এবার আপনি ok তে ক্লিক না করেই কি পরিবর্তন করলেন সেটা দেখতে পাবেন   😀

৪। রিসেট মাস্টার কীঃ   অনেকেই ফায়ারফক্সে মাস্টার কী ব্যাবহার করে । কিন্তু আপনি যদি মাস্টার কী এর পাসওয়ার্ড ভুলে যান তাহলে এই হিডেন ফিচারটির মাধ্যমে আপনি মাস্টার কী রিসেট করতে পারবেন । তবে কোন সাইটের লগিন পাসওয়ার্ড যদি সেভ করা থাকে সেগুলো ডিলিট হয়ে যাবে :(
এজন্য আপনাকে মজিলা ফায়ারফক্স ওপেন করে অ্যাড্রেসবারে নিচের  URL টি  পেস্ট করে Enter  চাপুন  । তারপর ইচ্ছে মত রিসেট করুন আপনার মাস্টার কী  :mrgreen:
chrome://pippki/content/resetpassword.xul

মজিলা ফায়ারফক্স এ পাসওয়ার্ড দিন খুব সহজে (যারা জানেন না তাদের জন্য)


মজিলা ফায়ারফক্স এ পাসওয়ার্ড দেওয়ার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুনঃ

 

  • প্রথমে মজিলার Tools থেকে Options-এ যান।

  • এবার যে উইন্ডো আসবে সেখান থেকে Security ট্যাব এ ক্লিক করুন। এবং Use a Master Password-এ ক্লিক করুন।

  • এখন যে পপ-আপ উইন্ডো আসবে সেখানে পাসওয়ার্ড সেট করে OK ক্লিক করুন।

এখন আপনার মজিলা ফায়ারফক্স পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড।