এবার গাড়ি যা থাকবে হাতের ব্যাগেই! যত দিন যাচ্ছে ততই নতুন নতুন
প্রযুক্তি আসছে বাজারে। ফলে মানুষের জীবন দিনকে দিন সহজ থেকে সহজতর হচ্ছে।
মানুষের জীবনকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে এবার এক জাপানী প্রকৌশলী তৈরি করেছেন
ব্যাগে রাখার গাড়ি।
কী চমকে যাচ্ছেন? বিষয়টি ভাবতে যত কঠিন, বাস্তবতা যেন তার চেয়েও সহজ। কারণ আসলেই ২৬ বছর বয়সী কুনিয়াকো সেইতো নামের প্রকৌশলী ব্যাগে রাখার গাড়িই তৈরি করেছেন। যে গাড়ি আপনি সহজেই আপনার কাঁধের ব্যাগে বহন করতে পারবেন। আবার প্রয়োজন হলে ব্যবহার করতে পারবেন। এই গাড়ি রাখার জন্য কোনো পার্ক বা জায়গা লাগবে না।

উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোকোয়া মোটর্সের নামই দিয়েছে ‘কার ইন এ ব্যাগ’। সহজ করে বললে বোঝায়, এমন গাড়ি যা ব্যাগে রাখা যায়। ভাবছেন এ গাড়ি চলবে কীভাবে বা এর গতিই বা কেমন হবে কিংবা কীভাবে চলবে বা বন্ধ হবে? আসছি সে কথায়।

ল্যাপটপ সাইজের এ গাড়িকে ওয়াককার (WalkCar) নামেও উল্লেখ করা হয়েছে যা দেখতে স্কেইটবোর্ডের মতো। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি এই গাড়ির ওজন হবে মাত্র ২ থেকে ৩ কেজি। আর এটি চলবে লিথিয়ামের ব্যাটারি দ্বারা।

সম্প্রতি কোকোয়া মোটর্স গাড়িটি সম্পর্কে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে। পিঁড়ির মতো দেখতে এ গাড়িটি ঘণ্টায় চলবে ১০ কিলোমিটার। আর ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত চালাতে হলে চার্জ দিতে হবে ৩ ঘণ্টা। উদ্ভাবক সেইতো বলেছেন, এই পরিবহনের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে।
তার মতে, গাড়ির বোর্ডটি অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হওয়ায় দেখতে হালকা মনে হলেও এটি হবে বেশ শক্তিশালী। যা ১২০ কেজি পর্যন্ত ওজনের ব্যক্তি বা বস্তু বহন করতে পারবে। তাছাড়া এটি এতটাই শক্তিশালী হবে যে, এর দ্বারা লোকজন হুইল চেয়ার ঠেলতে পারবে। সেইতো বলেন, এটিতে ওঠাও সহজ।
তিনি আরও বলেন, যখন কেউ এই ওয়াকারে উঠবেন তখন এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকবে। আবার যখন থামতে চাইবেন তখন হালকা করে পা নামিয়ে দিলেই চলবে।
ভাবছেন, দিক পরিবর্তন করবেন কীভাবে? সে ব্যবস্থাও রয়েছে আধুনিকতম এ গাড়িটিতে। আপনি যেদিকে যেতে চাইবেন সেদিকে শরীরটা বাঁকালেই কিংবা সেদিকে ভর দিলেই চলবে।
এবার হয়তো মনে করছেন, এ গাড়ির দাম কত হবে? হ্যাঁ সে কথাতেই আসছি। পৃথিবীর প্রথম ছোট্ট এ গাড়িটির (উদ্ভাবকের দাবি) দাম অন্যান্য গাড়ির মতো পড়বে না। পরিবহনে সহজ এ গাড়িটির দাম পড়বে ৮০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশী টাকায় যার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৬২ হাজার।
সেইতো বলেছেন, যাদের এ গাড়ির প্রয়োজন হবে তারা চলতি বছরের শরৎকাল থেকে কিকস্টার্টার (Kickstarter) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বুকিং দিতে পারবেন। আর বাণিজ্যিকভাবে এর লেনদেন শুরু হবে ২০১৬ সালের মাঝামাঝিতে, এমনটাই প্রত্যাশা করছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এতোক্ষণ যা বলা হলো তা আরও সহজ করতে ভিডিওটি দেখতে পারেন।
কী চমকে যাচ্ছেন? বিষয়টি ভাবতে যত কঠিন, বাস্তবতা যেন তার চেয়েও সহজ। কারণ আসলেই ২৬ বছর বয়সী কুনিয়াকো সেইতো নামের প্রকৌশলী ব্যাগে রাখার গাড়িই তৈরি করেছেন। যে গাড়ি আপনি সহজেই আপনার কাঁধের ব্যাগে বহন করতে পারবেন। আবার প্রয়োজন হলে ব্যবহার করতে পারবেন। এই গাড়ি রাখার জন্য কোনো পার্ক বা জায়গা লাগবে না।
আশ্চার্য গাড়ি উদ্ভাবন
উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোকোয়া মোটর্সের নামই দিয়েছে ‘কার ইন এ ব্যাগ’। সহজ করে বললে বোঝায়, এমন গাড়ি যা ব্যাগে রাখা যায়। ভাবছেন এ গাড়ি চলবে কীভাবে বা এর গতিই বা কেমন হবে কিংবা কীভাবে চলবে বা বন্ধ হবে? আসছি সে কথায়।
ল্যাপটপ সাইজের এ গাড়িকে ওয়াককার (WalkCar) নামেও উল্লেখ করা হয়েছে যা দেখতে স্কেইটবোর্ডের মতো। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি এই গাড়ির ওজন হবে মাত্র ২ থেকে ৩ কেজি। আর এটি চলবে লিথিয়ামের ব্যাটারি দ্বারা।
সম্প্রতি কোকোয়া মোটর্স গাড়িটি সম্পর্কে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে। পিঁড়ির মতো দেখতে এ গাড়িটি ঘণ্টায় চলবে ১০ কিলোমিটার। আর ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত চালাতে হলে চার্জ দিতে হবে ৩ ঘণ্টা। উদ্ভাবক সেইতো বলেছেন, এই পরিবহনের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে।
তার মতে, গাড়ির বোর্ডটি অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হওয়ায় দেখতে হালকা মনে হলেও এটি হবে বেশ শক্তিশালী। যা ১২০ কেজি পর্যন্ত ওজনের ব্যক্তি বা বস্তু বহন করতে পারবে। তাছাড়া এটি এতটাই শক্তিশালী হবে যে, এর দ্বারা লোকজন হুইল চেয়ার ঠেলতে পারবে। সেইতো বলেন, এটিতে ওঠাও সহজ।
তিনি আরও বলেন, যখন কেউ এই ওয়াকারে উঠবেন তখন এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকবে। আবার যখন থামতে চাইবেন তখন হালকা করে পা নামিয়ে দিলেই চলবে।
ভাবছেন, দিক পরিবর্তন করবেন কীভাবে? সে ব্যবস্থাও রয়েছে আধুনিকতম এ গাড়িটিতে। আপনি যেদিকে যেতে চাইবেন সেদিকে শরীরটা বাঁকালেই কিংবা সেদিকে ভর দিলেই চলবে।
এবার হয়তো মনে করছেন, এ গাড়ির দাম কত হবে? হ্যাঁ সে কথাতেই আসছি। পৃথিবীর প্রথম ছোট্ট এ গাড়িটির (উদ্ভাবকের দাবি) দাম অন্যান্য গাড়ির মতো পড়বে না। পরিবহনে সহজ এ গাড়িটির দাম পড়বে ৮০০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশী টাকায় যার পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৬২ হাজার।
সেইতো বলেছেন, যাদের এ গাড়ির প্রয়োজন হবে তারা চলতি বছরের শরৎকাল থেকে কিকস্টার্টার (Kickstarter) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বুকিং দিতে পারবেন। আর বাণিজ্যিকভাবে এর লেনদেন শুরু হবে ২০১৬ সালের মাঝামাঝিতে, এমনটাই প্রত্যাশা করছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এতোক্ষণ যা বলা হলো তা আরও সহজ করতে ভিডিওটি দেখতে পারেন।
No comments:
Post a Comment