গন্ডর
রাজ্যের গ্যারিসনে কাজ করেন বনরক্ষক টেলিওন। হঠাৎ সেখানে সাউরন উরুক নামের
এক বাহিনী তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে আক্রমণ করে। তিনজন ক্যাপ্টেনের নেতৃত্বে
বাহিনীটি টেলিওনের পরিবারকে মেরে ফেলে। মূলত টেলিওনের পরিবারের মৃত্যুর
প্রতিশোধ নেওয়াকে কেন্দ্র করেই ‘মিডল আর্থ: শ্যাডো অব মরডর’ গেমটির কাহিনি
শুরু।
এই গেম বিখ্যাত লেখক জে আর আর টলকিনের দ্য হবিট এবং দ্য লর্ড অব দ্য রিংস উপন্যাসের ছায়ায় গড়ে তৈরি হয়েছে। গেমটিতে আপনাকে টেলিওনের ভূমিকায় খেলতে হবে। মনোলিথ প্রোডাকশনের তৈরি অ্যাকশন রোল প্লেয়িং ঘরানার গেমটি গত বছরের সেপ্টেম্বরে ওয়ার্নার ব্রাদার্স ইন্টারঅ্যাকটিভ উইন্ডোজ, প্লে-স্টেশন ৩ ও ৪ এবং এক্সবক্স ১ ও ৩৬০-এর জন্য বাজারে ছাড়া হয়। থার্ড পারসন ভিউয়ে এই গেমের মূল অভিযানের পাশাপাশি পার্শ্ব অভিযান তো থাকছেই, সেই সঙ্গে গেমের দুনিয়ায় আপনি ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতেও পারবেন।
এই গেমে দুইভাবে খেলা যাবে—বনরক্ষী (রেঞ্জার) ও প্রেতাত্মা হয়ে। রেঞ্জার হয়ে খেললে মিশন চুপি চুপি (সাইলেন্টলি) সারতে হবে, যাতে কেউ টের না পায়। আর প্রেতাত্মা হয়ে খেললে শত্রুদের সঙ্গে ইচ্ছেমতো মারামারি করতে পারবেন। রেঞ্জারের নাম হবে টেলিওন আর প্রেতাত্মার কেলব্রিম্বর। থাকবে একই শরীরে দুটি আত্মার ক্ষমতা। তাই প্রয়োজনভেদে যেকোনো আত্মার হয়ে খেলা যাবে। আরও আছে বিভিন্ন রকম দক্ষ এবং সেগুলো হালনাগাদ করার সুবিধাও আছে। শত্রুদের হারিয়ে পয়েন্ট জমিয়ে হালনাগাদ করা যাবে। আছে নতুন সুবিধা নেমেসিস। এটি ব্যবহার করে নতুন নতুন চরিত্র বানাতে পারবেন। প্রয়োজনে টেলিওনকে ইচ্ছেমতো সাজাতেও পারবেন। লিথটেক জুপিটর ইএক্স ইঞ্জিনে বানানো গেমটির গ্রাফিকস এবং শব্দ বেশ প্রাণবন্ত ও বাস্তব—যা আপনাকে গেমে সত্যিকারের এক শরীরের দুই আত্মার অনুভূতি এনে দেবে।
খেলতে যা লাগবে
প্রসেসর: ইন্টেল কোর আই৫-৭৫০ ২.৬৭ গিগাহার্টজ অথবা এএমডি ফেনোম ২ এক্স ৪ ৯৬৫ ৩.৪ গিগাহার্টজ
গ্রাফিকস: এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ৪৬০ অথবা এএমডি রেডিওন এইচডি ৫৮৫০ (উভয়ই ১ গিগাবাইট)
র্যাম : ৪ গিগাবাইট।
ডাইরেক্টএক্স: ১১
নেটওয়ার্ক: উচ্চগতির ইন্টারনেট।
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ: ২৫ গিগাবাইট ফাঁকা জায়গা।
এই গেম বিখ্যাত লেখক জে আর আর টলকিনের দ্য হবিট এবং দ্য লর্ড অব দ্য রিংস উপন্যাসের ছায়ায় গড়ে তৈরি হয়েছে। গেমটিতে আপনাকে টেলিওনের ভূমিকায় খেলতে হবে। মনোলিথ প্রোডাকশনের তৈরি অ্যাকশন রোল প্লেয়িং ঘরানার গেমটি গত বছরের সেপ্টেম্বরে ওয়ার্নার ব্রাদার্স ইন্টারঅ্যাকটিভ উইন্ডোজ, প্লে-স্টেশন ৩ ও ৪ এবং এক্সবক্স ১ ও ৩৬০-এর জন্য বাজারে ছাড়া হয়। থার্ড পারসন ভিউয়ে এই গেমের মূল অভিযানের পাশাপাশি পার্শ্ব অভিযান তো থাকছেই, সেই সঙ্গে গেমের দুনিয়ায় আপনি ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতেও পারবেন।
এই গেমে দুইভাবে খেলা যাবে—বনরক্ষী (রেঞ্জার) ও প্রেতাত্মা হয়ে। রেঞ্জার হয়ে খেললে মিশন চুপি চুপি (সাইলেন্টলি) সারতে হবে, যাতে কেউ টের না পায়। আর প্রেতাত্মা হয়ে খেললে শত্রুদের সঙ্গে ইচ্ছেমতো মারামারি করতে পারবেন। রেঞ্জারের নাম হবে টেলিওন আর প্রেতাত্মার কেলব্রিম্বর। থাকবে একই শরীরে দুটি আত্মার ক্ষমতা। তাই প্রয়োজনভেদে যেকোনো আত্মার হয়ে খেলা যাবে। আরও আছে বিভিন্ন রকম দক্ষ এবং সেগুলো হালনাগাদ করার সুবিধাও আছে। শত্রুদের হারিয়ে পয়েন্ট জমিয়ে হালনাগাদ করা যাবে। আছে নতুন সুবিধা নেমেসিস। এটি ব্যবহার করে নতুন নতুন চরিত্র বানাতে পারবেন। প্রয়োজনে টেলিওনকে ইচ্ছেমতো সাজাতেও পারবেন। লিথটেক জুপিটর ইএক্স ইঞ্জিনে বানানো গেমটির গ্রাফিকস এবং শব্দ বেশ প্রাণবন্ত ও বাস্তব—যা আপনাকে গেমে সত্যিকারের এক শরীরের দুই আত্মার অনুভূতি এনে দেবে।
খেলতে যা লাগবে
প্রসেসর: ইন্টেল কোর আই৫-৭৫০ ২.৬৭ গিগাহার্টজ অথবা এএমডি ফেনোম ২ এক্স ৪ ৯৬৫ ৩.৪ গিগাহার্টজ
গ্রাফিকস: এনভিডিয়া জিফোর্স জিটিএক্স ৪৬০ অথবা এএমডি রেডিওন এইচডি ৫৮৫০ (উভয়ই ১ গিগাবাইট)
র্যাম : ৪ গিগাবাইট।
ডাইরেক্টএক্স: ১১
নেটওয়ার্ক: উচ্চগতির ইন্টারনেট।
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ: ২৫ গিগাবাইট ফাঁকা জায়গা।
No comments:
Post a Comment