গত দেড় বছরের চেষ্টায় ‘প্ল্যানেটার লিমিটেড’-এর বাণিজ্যিকভাবে তৈরি হয়েছে রিরা নামের এই রোবট। একে বলা হচ্ছে টেলিপ্রেজেন্স রোবট। মানে দূর থেকেই ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করবে এ রোবটটি। মুঠোফোনের ইন্টারনেট দিয়ে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায় খুব সহজেই! রিরার পর্দায় আপনাকে যেমন অন্যরা দেখতে পাবেন, তেমনি আপনিও পাবেন অন্যদের দেখা। অনেকটা মুঠোফোনে ভিডিও কলের মতো। তবে এই পদ্ধতির সঙ্গে রিরার পার্থক্য হলো, এটা হাতে নিয়ে ঘুরতে হবে না। যে কেউ দেশের বাইরে থেকেও এটিকে সব জায়গায় ঘোরাতে পারবেন! প্ল্যানেটর লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী রিনি ঈশান বলেন, ‘যেখানে আলাদা জায়গায় সিসি ক্যামেরা লাগাতে হয়, সেখানে রিরা সব জায়গায় চলাচল করতে পারে।’
কর্মজীবী একজন মায়ের প্রায় আট-নয় ঘণ্টা কেটে যায় অফিসেই। এর মধ্যে বাসায় রেখে আসা বাচ্চাটার জন্য চিন্তা কি কম? ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করল কি না, ঘুমাল কি না—সবকিছুই খেয়াল রাখতে হয়। রিরাকে ব্যবহার করে বাচ্চার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি, বাচ্চার দেখভালও করতে পারবেন। প্ল্যানেটরের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা রাকিব রেজা জানালেন, কল-কারখানা, বড় বড় দোকান-শপিং মলেও ব্যবহার করা যাবে এই রোবটকে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রিনি ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের রাকিব ২০১০ সাল থেকে কাজ করছেন রোবট নিয়ে। এর মধ্যেই তাঁরা গড়ে তোলেন প্ল্যানেটর লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটি। ২০১১ সালের আন্তবিশ্ববিদ্যালয় রোবটিক প্রতিযোগিতায় ২৪টি দলের মধ্যে রাকিব তৃতীয় ও রিনি চতুর্থ স্থান লাভ করেন। এরপর ২০১৩ সালে রিনি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার রোবট তৈরির প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
রিরাকে তৈরি রোবটের কারিগর প্রকৌশলী দম্পতি রিনি ও রাকিবের তৃতীয় প্রয়াস। সঙ্গে ছিলেন বন্ধু কায়সার রায়হান। এর আগেও দুইবার বাণিজ্যিকভাবে এটিকে তৈরি করেছিলেন তাঁরা। প্রথমবার বানিয়েছিলেন দেশীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। কিন্তু সেগুলোর মান ভালো না হওয়ায় তাঁরা রোবটের ওয়ারেন্টি দিতে পারছিলেন না। এবার দেশের বাইরে আমেরিকা, হংকং, চায়না
ইতিমধ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই রোবট নেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে চুক্তি করেছে। এ ছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তাঁর বাসার জন্য রিরা কিনছেন বলে জানান রিনি ও রাকিব।
গত দেড় বছরের চেষ্টায় ‘প্ল্যানেটার লিমিটেড’-এর বাণিজ্যিকভাবে তৈরি হয়েছে রিরা নামের এই রোবট। একে বলা হচ্ছে টেলিপ্রেজেন্স রোবট। মানে দূর থেকেই ব্যক্তির উপস্থিতি নিশ্চিত করবে এ রোবটটি। মুঠোফোনের ইন্টারনেট দিয়ে একে নিয়ন্ত্রণ করা যায় খুব সহজেই! রিরার পর্দায় আপনাকে যেমন অন্যরা দেখতে পাবেন, তেমনি আপনিও পাবেন অন্যদের দেখা। অনেকটা মুঠোফোনে ভিডিও কলের মতো। তবে এই পদ্ধতির সঙ্গে রিরার পার্থক্য হলো, এটা হাতে নিয়ে ঘুরতে হবে না। যে কেউ দেশের বাইরে থেকেও এটিকে সব জায়গায় ঘোরাতে পারবেন! প্ল্যানেটর লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী রিনি ঈশান বলেন, ‘যেখানে আলাদা জায়গায় সিসি ক্যামেরা লাগাতে হয়, সেখানে রিরা সব জায়গায় চলাচল করতে পারে।’
কর্মজীবী একজন মায়ের প্রায় আট-নয় ঘণ্টা কেটে যায় অফিসেই। এর মধ্যে বাসায় রেখে আসা বাচ্চাটার জন্য চিন্তা কি কম? ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করল কি না, ঘুমাল কি না—সবকিছুই খেয়াল রাখতে হয়। রিরাকে ব্যবহার করে বাচ্চার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি, বাচ্চার দেখভালও করতে পারবেন। প্ল্যানেটরের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা রাকিব রেজা জানালেন, কল-কারখানা, বড় বড় দোকান-শপিং মলেও ব্যবহার করা যাবে এই রোবটকে। চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী রিনি ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের রাকিব ২০১০ সাল থেকে কাজ করছেন রোবট নিয়ে। এর মধ্যেই তাঁরা গড়ে তোলেন প্ল্যানেটর লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটি। ২০১১ সালের আন্তবিশ্ববিদ্যালয় রোবটিক প্রতিযোগিতায় ২৪টি দলের মধ্যে রাকিব তৃতীয় ও রিনি চতুর্থ স্থান লাভ করেন। এরপর ২০১৩ সালে রিনি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার রোবট তৈরির প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
রিরাকে তৈরি রোবটের কারিগর প্রকৌশলী দম্পতি রিনি ও রাকিবের তৃতীয় প্রয়াস। সঙ্গে ছিলেন বন্ধু কায়সার রায়হান। এর আগেও দুইবার বাণিজ্যিকভাবে এটিকে তৈরি করেছিলেন তাঁরা। প্রথমবার বানিয়েছিলেন দেশীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে। কিন্তু সেগুলোর মান ভালো না হওয়ায় তাঁরা রোবটের ওয়ারেন্টি দিতে পারছিলেন না। এবার দেশের বাইরে আমেরিকা, হংকং, চায়না
ইতিমধ্যে দেশের অন্যতম শীর্ষ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই রোবট নেওয়ার জন্য মৌখিকভাবে চুক্তি করেছে। এ ছাড়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক তাঁর বাসার জন্য রিরা কিনছেন বলে জানান রিনি ও রাকিব।
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের
পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের
জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি
জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে
তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট।
মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে
বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের
বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি
জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে।
পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ
অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at:
http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের
পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের
জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি
জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে
তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট।
মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে
বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের
বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি
জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে।
পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ
অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at:
http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের
পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের
জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি
জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে
তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট।
মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে
বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের
বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি
জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে।
পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ
অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at:
http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf
নগরীর পাঁচলাইশ থানায় গভীর নলকূপ বসানোর জন্য গর্ত খোঁড়ার সময় পাওয়া গেছে একটি রকেট লঞ্চার।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে থানা ভবনের পেছনে শ্রমিকেরা গর্ত খোঁড়ার সময় রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করে।রকেট লঞ্চারটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞ দল। তারা বলছেন, এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অথবা মুক্তিযুদ্ধের সময়কার হতে পারে।পাঁচলাইশ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, থানা ভবনের
পেছনে টিনের ছাউনির সরকারি বাসার পাশের খালি জায়গায় গভীর নলকূপ স্থাপনের
জন্য গর্ত খুঁড়ছিলেন শ্রমিকেরা।তিনি
জানান, মাটির তিন ফুট নিচে ধাতব বস্তুর অবস্থান টের পেয়ে শ্রমিকরা সাবধানে
তা তুলে আনলে দেখা যায় এটি একটি রকেট লঞ্চার শেল যার দৈর্ঘ্য প্রায় এক ফুট।
মরিচা ধরা শেলটি দুদিকে খোলা ছিল।নগর
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সন্তোষ কুমার চাকমা যুগান্তরকে
বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধারকৃত রকেট লঞ্চারটি অনেক পুরোনো। তবে ভেতরের
বিস্ফোরকগুলোর কার্যক্ষমতা এখনো বিদ্যমান।তিনি
জানান, লঞ্চারটি নিরাপদে উদ্ধার করে দামপাড়া পুলিশ লাইনে আনা হয়েছে।
পুলিশের হেফাজতে বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এটি মুক্তিযুদ্ধ
অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার বলে ধারণা করা হচ্ছে। - See more at:
http://www.jugantor.com/current-news/2015/11/16/8638#sthash.ZAtWd9Bf.dpuf
No comments:
Post a Comment